সাম্প্রতিক
লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেলের এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক? ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বারিধারায় নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা: অবশেষে গ্রেপ্তার সেই কিশোর চালক ট্রাম্প আমাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেছেন, অথচ আমরাই সন্ত্রাসের শিকার: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান অবশেষে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ এনওসি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল চুয়েট, চলছে দ্বিতীয় দিনের শাটডাউন বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, আজ চুক্তি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
Skip to content

তিন দশক পর ফিলিস্তিনে সৌদি প্রতিনিধি দল

অনলাইন ডেস্ক :

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে মঙ্গলবার ইসরায়েলের অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে সৌদি আরব। ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর হওয়া ঐতিহাসিক অসলো চুক্তির পর এটাই এ ধরণের প্রথম কোনো সফর। এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনায় যুক্ত হওয়া রিয়াদ তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো সেখানে প্রতিনিধি পাঠালো। এএফপি জানায়, মঙ্গলবার সৌদি আরবের ওই প্রতিনিধি দলটি পশ্চিম তীরে গিয়ে পৌছায়।

এর নেতৃত্বে আছেন ফিলিস্তিনে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত নায়েফ আল-সুদাইরি। জর্ডান সীমান্ত দিয়ে তারা পশ্চিম তীরে প্রবেশ করেন। দলটির নেতৃত্বে আছেন ফিলিস্তিন ভূখন্ডে জন্য রিয়াদের নিযুক্ত অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত নায়েফ আল-সুদাইরি। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এবং শীর্ষ কূটনীতিক রিয়াদ আল-মালিকির সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জর্ডানে নিযুক্ত রিয়াদের প্রতিনিধি সুদাইরিকে গত মাসে ফিলিস্তিনেরও রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত করা হয়।

অ্যান্টার্কটিকায় ফুল, উদ্বেগ
অ্যান্টার্কটিকায় ফুল ফুটেছে। খবরটি আনন্দের মনে হলেও বাস্তবে ভয়ংকর উদ্বেগের। এই ঘটনা প্রমাণ করছে যে, বরফে ঢাকা অ্যান্টার্কটিকা জলবায়ু পরিবর্তনের কবলে পড়েছে। অ্যান্টার্কটিকার এই ঘটনায় বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, জলবায়ুর পরিবর্তনে সারা বিশ্ব কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠছে তাই বলে দিচ্ছে এই ঘটনা। গত ২০ বছর ধরে অ্যান্টার্কটিকায় খুব ধীরে ধীরে উদ্ভিদের প্রসার লক্ষ্য করছেন বিজ্ঞানীরা। আগে ঠান্ডার কারণে এই উদ্ভিদ খুব বেশি দিন বাঁচত না। কিন্তু সম্প্রতি এগুলো আয়ুষ্কালও বেড়েছে। ফুটেছে ফুল। বরফের চাদর সরিয়ে উঁকি দিচ্ছে কচি পাতা ও ফুল। তবে কি বসন্ত এসে গেল? আনন্দের বদলে কিন্তু আশঙ্কার মেঘই দেখছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ এই ফুল ফুটেছে অ্যান্টার্কটিকায়।

এর আগে এই তীব্র শীতল অঞ্চলে এত দ্রুত কখনো কোনো উদ্ভিদের বৃদ্ধি হয়নি। শুধু বৃদ্ধি নয়, ঐ চরম শীতল আবহাওয়ায় ফুলও ফুটতে শুরু করেছে। অ্যান্টার্কটিকার বুকে ফুল ফোটা আদতে জলবায়ুর পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দেয়। বরফে ঢাকা এই মহাদেশে ফুল ফোটা একপ্রকার অসম্ভব। সে কারণে বিজ্ঞানীরা বিপদই বেশি দেখছেন। বিজ্ঞানীদের রিপোর্ট বলছে, সিগনি দ্বীপে মূলত দুই ধরনের উদ্ভিদ জন্মাতে দেখা গেছে। তাতে ফুল ফুটেছে।

১৯৬০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এই অঞ্চলে যে হারে এই উদ্ভিদের জন্ম হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত তার ১০ গুণ উদ্ভিদ জন্মেছে। অ্যান্টার্কটিকায় অন্য ধরনের উদ্ভিদের জন্মের হারও বৃদ্ধি হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, আগের তুলনায় এখন ঐ অঞ্চলে বিভিন্ন উদ্ভিদের বৃদ্ধি বেড়েছে পাঁচ গুণ। সারা বছর হিমাঙ্কের অনেক নিচে তাপমাত্রা থাকে আন্টার্কটিকায়। সে কারণে মস, লিচেন জাতীয় শৈবালেরই জন্ম হয়। তারাই ঐ অঞ্চলের আদি বাসিন্দা। এবার অ্যান্টার্কটিকায় নতুন ধরনের উদ্ভিদের দেখা মিলছে।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে সেখানে নতুন ধরনের উদ্ভিদের জন্ম হচ্ছে। এর ফলে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে সেখানকার আদি বাসিন্দা মস ও লিচেন। এর ফলে অ্যান্টার্কটিকার বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, নতুন এই উদ্ভিদের বৃদ্ধির কারণে চিরতরে সেখান থেকে অবলুপ্ত হতে পারে আদি বাসিন্দারা। এমনকি মাটির চরিত্রও বদলে যেতে পারে বলে মনে করেন গবেষকরা। এই ধরনের উদ্ভিদ পচে মাটির সঙ্গে মিশলে মাটির অম্লত্বের পরিমাণ বদলে যেতে পারে।

তাতে নতুন ধরনের ব্যাকটিরিয়া জন্মাতে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে পরিবেশে, বাস্তুতন্ত্রে। অ্যান্টার্কটিকার বুকে এই ফুল প্রথম লক্ষ করেন অস্ট্রেলিয়ার ওলংগং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। তারা দেখেন, অ্যান্টার্কটিকায় মূলত দুই ধরনের উদ্ভিদের বৃদ্ধি হচ্ছে আগের তুলনায় বেশি হারে। প্রথম দিকে নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলে দেখা যেত এই উদ্ভিদ। এখন তার বাইরেও বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যাচ্ছে এই উদ্ভিদ। বিজ্ঞানীরা বিশ্ব উষ্ণায়নের পাশাপাশি মানুষকেও দায়ী করেন। তাদের মতে, অ্যান্টার্কটিকায় গবেষকদের সঙ্গে অভিযাত্রীদের আনাগোনাও বেড়েছে। তাদের পায়ে পায়েই এই উদ্ভিদের বীজ ছড়িয়ে পড়েছে বহু দূর। সে কারণে এর বংশবৃদ্ধি হচ্ছে।