সাম্প্রতিক
নিউ গিনি প্রপার্টিজে হামলা: সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন গ্রেপ্তার মিরপুরে হামলা-অগ্নিসংযোগের কাজ ‘ফ্যাসিজমের দোসরদের’: ডিএনসিসি প্রশাসক আপস মীমাংসায় প্রথম স্ত্রীর জামিন, গাজী নজরুলের জামিনেও বাদীর আপত্তি নেই কানাডা থেকে ৮ মাসে ৩৪০ বাংলাদেশি বহিষ্কার, প্রক্রিয়ায় আরও ১,৩৬৮ জাতিসংঘে জাইমার নিয়োগে সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: মাহদী আমিন অক্টোবরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা: এমপি মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এলপিজিতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে ব্যবস্থা, ডিসিদের নির্দেশ গরম বাড়তেই আবারও বেড়েছে লোডশেডিং
Skip to content

সাবরিনাদের মামলায় সাক্ষ্য ২৬ সেপ্টেম্বর

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক :

করোনা পরীক্ষা না করে মনগড়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে হওয়া মামলায় জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী, তার স্বামী ও প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালতে এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে, এদিন কোনো সাক্ষী না আসায় ও নারী আসামিদের আদালতে হাজির না করায় সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন আদালত। সিএমএম আদালতের ভারপ্রাপ্ত স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান এ তথ্য জানান। এই মামলায় সবশেষ ৩১ মার্চ সাক্ষ্য দেন প্রকৌশলী উজ্জ্বল সরকার। এ নিয়ে মামলায় ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৭ এপ্রিল তারিখ থাকলেও করোনায় ছুটির কারণে আর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। সাবরিনা-আরিফুল ছাড়াও এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন-আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। ২০২০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক লিয়াকত আলী। এরপর একই বছর ২০ আগস্ট একই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। পরে ২৭ আগস্ট বাদী কামাল হোসেনের জবানবন্দির মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। করোনার ভুয়া রিপোর্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথ কেয়ারের কর্ণধার আরিফুল চৌধুরীর স্ত্রী ডা. সাবরিনা চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের একজন চিকিৎসক। মামলার পর ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। জেকেজির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে সাবরিনা আছেন বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়। গত বছর ১২ জুলাই সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন জেকেজির প্রতারণা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিসিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সদুত্তর দিতে না পারায় তাকে তেজগাঁও থানায় আগেই আরিফুলের বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত বছর ২৩ জুন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর থানা হাজতে থাকা অবস্থায় আরিফুলের ক্যাডার বাহিনী ভাঙচুর ও হামলা করে থানায়। মারধর করে পুলিশকে। জানা যায়, জেকেজির কর্ণধার স্বামী-স্ত্রী মিলে করোনা টেস্টের ভুয়া সনদ বিক্রি করেছেন। প্রতিটি টেস্টের জন্য জনপ্রতি নিয়েছেন সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা। আর বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি তারা নিতেন ১০০ ডলার।