সাম্প্রতিক
‘নাইন ইলেভেন’-যে দিনের পর বদলে গেছে মুসলিমদের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে সাধারণ মানুষ আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, দেশে বাড়ল লোডশেডিং গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল; ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ২ ভারতের সঙ্গে হাসিনার ১০১ চুক্তিতে ‘দেশের স্বার্থ’ খুঁজছে সরকার: চিফ হুইপ এইচ-১বি ভিসায় ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৩ শিশুর ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম দেশে অক্টোবরে শুরু হচ্ছে স্মার্টফোন উৎপাদন, পাওয়া যাবে ২–৩ হাজার টাকায় আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

শীতে শিশুদের সুস্থ রাখবে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক:

শীত এলেই সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে শিশুদের নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। এর মূল কারণ আবহাওয়া পরিবর্তন। আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শীতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমতে শুরু করে।

এ কারণে শীতকালীন ফল ও শাকসবজি খাওয়া জরুরি। এতে করে শরীরে যাবতীয় পুষ্টিগুণও মেলে আবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। বিশেষ করে খাবার তালিকায় রাখুন ভিটামিন সি,ডি সমৃদ্ধ খাবার।

দেখে নিন এসময় শিশুদের সুস্থ রাখতে খাদ্য তালিকায় কোন খাবারগুলো রাখবেন-

দুধ
শিশুকে নিয়মিত দুধ খাওয়ান। যদি ল্যাকটোজে অ্যালার্জি না থাকে তবে শীতে প্রতিদিন কুসুম গরম দুধ দিতে পারেন। কারণ দুধে রয়েছে প্রোটিন। যা শিশুদের শরীর খুব সহজেই গ্রহণ করে নেয়। যার ফলে মেলে শক্তি। শুধু তাই নয়, এতে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম থেকে শুরু করে একাধিক জরুরি ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। যেই কারণে দুধ খেলে অনায়াসে সর্দি-কাশি থেকে সেরে ওঠা যায়।

দই
শিশুরা দই খেতে ভীষণ পছন্দ করে। যার ফলে এই খাবার খেলে অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ে। আর ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পেলে সক্রিয় হয়ে ওঠে ইমিউনিটি। দ্রুত সর্দি, কাশি থেকে সেরে ওঠা যায়। তাই রোজের ডায়েটে অবশ্যই দইকে রাখুন।

কমলা
শীত পড়তেই বাজারে কমলালেবু ভিড় করেছে। লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। যে কারণে লেবু খেলে সক্রিয় হয়ে ওঠে ইমিউনিটি। দ্রুত সর্দি-কাশির মতো রোগ এড়িয়ে চলা যায়।

মাছ
শিশুর সর্দি-কাশি হলে মাছ খাওয়াতে হবে। কারণ এই খাবারে রয়েছে ভিটামিন ও মিনারেল। যার ফলে মাছ খেলে ইমিউনিটি বাড়ে। শক্তি পায় শরীর। তবে সন্তানকে খুব বড় সাইজের মাছ খাওয়াবেন না। তাকে ২ কেজির কম ওজনের মাছই খাওয়াতে হবে। তাতেই এড়িয়ে চলা যাবে একাধিক জটিল রোগ।
সূত্র: ফার্স্টক্রাই প্যারেন্টিং