সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

দেশের অর্থনৈতিক ইউনিটগুলোর ৭০.২৭ শতাংশই গ্রামে

অনলাইন ডেস্ক:
গত এক দশকে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ৪০ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৯টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টিতে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
শুমারির তথ্য অনুযায়ী, দেশের অর্থনৈতিক ইউনিটগুলোর মধ্যে ৭০ দশমিক ২৭ শতাংশই গ্রামে অবস্থিত, যা ২০১৩ সালের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

পারিবারিক অর্থনৈতিক ইউনিটের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে, ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ ইউনিট গ্রামীণ অঞ্চলে রয়েছে।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বিবিএস ভবনে শুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। অর্থনৈতিক শুমারি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এস এম শাকিল আখতার, উপপ্রকল্প পরিচালক মো. মিজানুর রহমান শুমারির বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশে বর্তমানে ৩২০টি অর্থনৈতিক ইউনিট হিজড়া সম্প্রদায়ের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
উপপ্রকল্প পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, এটি দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি। প্রথম শুমারি হয়েছিল ১৯৮৬ সালে। প্রতি ১০ বছর পরপর এ শুমারি করা হয়।