সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

যৌতুক না পেয়ে গরম তেল ঢেলে স্ত্রীকে খুন: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রতীকী ছবি:

নিজস্ব প্রতিবেদক আদালত। 

ঢাকার কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম করে শরীরে ঢেলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে মিজান সরদার (৩৫) নামের একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত তাঁকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪–এর বিচারক মুন্সি মো. মশিউর রহমান আজ রোববার সকালে এ রায় দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এরশাদ আলম। রায় ঘোষণার পর মিজান সরদারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশে দিয়েছেন আদালত।

মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, মিজান সরদার তাঁর স্ত্রী–সন্তান নিয়ে কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। এই দম্পতির একটি ছেলে (৭) আর মেয়ে (৬) রয়েছে। যৌতুকের জন্য মিজান বিভিন্ন সময় তাঁর স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। মিজানকে তাঁর স্ত্রীর পরিবার ২০ লাখ টাকা মূল্যের জমি কিনে দেয়; একই সঙ্গে ৭ লাখ টাকা দিয়ে দোকান করে দেওয়া হয়।

এরপরও নির্যাতন থামেনি। আরও যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে চাপ দিতে থাকেন মিজান। আর্থিক অনটন থাকায় স্ত্রীর পরিবার মিজানকে আর কোনো যৌতুক দেবে না বলে জানিয়ে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০২৩ সালের ৬ মে রাতে স্ত্রীকে মারধর করেন মিজান। পরে মিজানের স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।

এ সময় মিজান কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম করেন। পরে সেটা তাঁর স্ত্রীর শরীরে ঢেলে দেন। দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ওই নারীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ মে মারা যান তিনি। মৃত্যুর আগে তিনি জবানবন্দি দেন।

এ ঘটনায় নিহত নারীর বাবা বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মিজান সরদারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে পুলিশ মিজানকে গ্রেপ্তার করে। তিনি স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা করার কথা আদালতের কাছে স্বীকার করে নেন।

একই বছরের ৩১ জুলাই মিজানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১২ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আজ মিজানকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিলেন আদালত।