সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

রান্নার যেসব ভুল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক

আমরা কেউ অসুস্থতা চাই না। জেনেশুনে এমন কিছু করতে চাই না, যেগুলো কোনো অসুস্থতার কারণ হতে পারে। কিন্তু অজান্তে হয়তো এমন অভ্যাস বয়ে বেড়াই যা ডেকে আনে কোনো না কোনো রোগ। খাবার তৈরির সময় অনেক বেশি সচেতন থাকতে হয়। কারণ ছোট্ট একটি ভুলও ডেকে আনতে পারে বিপদ। রান্নার সময় কিছু ভুলের কারণে বাড়তে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি। কী সেই ভুল? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

আগুনে রুটি সেঁকা

অনেকেই তাওয়া ব্যবহার না করে আগুনে সরাসরি রুটে সেঁকে নেন। এতে রুটি দ্রুত ফুলে ওঠে। কিন্তু সাধারণ এই অভ্যাসও বিপদের কারণ হতে পারে। এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সরাসরি আগুনে রুটি সেঁকলে তা বিশেষ করে এলপিজি সিলিন্ডারের আগুনে, তা ‌‘অ্যাক্রিলামাইড’ নামক একটি রাসায়নিক তৈরি করে। ক্যান্সারের মতো মরণঘাতি অসুখের কারণ হতে পারে এ ধরনের রাসায়নিক।

ভাজা তেল পুনরায় ব্যবহার

তেলে কিছু ভাজার পরে বাকি তেল ফেলে দিতে মায়া লাগারই কথা। কিন্তু একই তেলে যদি বারবার রান্না করেন তাহলে দেখা দিতে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি। তেল বারবার গরম করলে এটি তার গঠন হারাতে শুরু করে এবং এতে ট্রান্স ফ্যাট এবং ফ্রি র‍্যাডিকেলের মতো ক্ষতিকারক রাসায়নিক তৈরি হতে শুরু করে। সেই তেলে তৈরি খাবার খেলে তা হৃদরোগের কারণ হতে পারে। এছাড়া অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বৃদ্ধি থেকে হতে পারে ক্যান্সারও। তাই এই অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

সব সবজির খোসা ফেলে দেওয়া

কিছু সবজি আছে যেগুলো খোসা না ছাড়িয়ে খাওয়া যায় না। তবে বেশিরভাগ সবজির খোসাই ভক্ষণযোগ্য। অনেকে আবার সব সবজিরই খোসা ফেলে খান। আপনারও এমন অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিন। যেসব সবজির খোসা খাওয়া যায় সেগুলো খোসাসহই খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ সবজির খোসায় অনেক ধরনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে, যেগুলো থেকে শরীর বঞ্চিত হতে পারে। সেখান থেকে ক্যান্সারসহ নানা অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। তাই শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির দিকে নজর দিন।