সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

জেনেভা ক্যাম্পের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২৬

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে শিশু শাহ আলম হত্যা মামলায় ২৬ আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখান। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান।

এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মোহাম্মদ পুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাজহারুল ইসলাম তাদের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখান। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, নাসির হোসেন নাশু, ফাইয়াজ হোসেন, মো. রাসেল, মো. হিরা, মো. আল আমিন, মো. জামিল, মো. ফয়সাল হোসেন, মো. গোলাম রসুল, মো. মোস্তাক, মো. সাইদ হোসেন, মো. শুভ, মো. রাকিব, মো. সেলিম, মো. শাওন, মো. মাসুদ রানা, মো. আকাশ, মো. ইসতিয়াক, মো. রাশেদ, মো. রাসেল, মো. রাজ, মো. রাজিব, মো. বশির, মো. পাপ্পু, শাহ আলম, মো. আজাদ হোসেন ও ফয়সাল হোসেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বহন করে থাকেন। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ক্যাম্প এলাকায় একাধিক মারামারি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে গত ১১ আগস্ট সকাল থেকে খণ্ডখণ্ডভাবে জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টাধাওয়া চলে আসছিল। ওইদিন বিকেল পৌনে ৩টার দিকে আসামিরা বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র, ককটেল নিয়ে নিজেদের মধ্যে বড় ধরনের মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এসময় ভুক্তভোগী শাহ আলম বছিলা থেকে তার নানির সঙ্গে দেখা করার জন্য জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় যায়। সেখানে যাওয়ার পর বিকেল তিনটার দিকে তাকে চাপাতি দিয়ে কোপানো হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এ ঘটনায় গত ১৩ আগস্ট নিহতের বাবা মো. রুবেল বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়।