সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলায় অব্যাহতি পেলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

ফাইল ফটো

 

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত একটি হত্যা মামলায় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫৭ জনকে আসামি করে দায়ের করা মামলায় বশিরউদ্দীনের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত এসেছে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. জামসেদ আলম এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‍্যাব-৩–এর এসআই মোস্তাফিজুর রহমান সোমবার (২৪ নভেম্বর) ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (ক) ধারায় অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, “ঘটনার সঙ্গে আসামি শেখ বশিরউদ্দীনের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি, তাই তাঁকে মামলা দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া প্রার্থনা করছি।”

এজাহার অনুযায়ী, গত বছর ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রামপুরার সিএনজি স্টেশনের সামনে গুলিবিদ্ধ হন ভারগো গার্মেন্টসের এক্সিকিউটিভ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মো. সোহান শাহ। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ২৮ আগস্ট মারা যান।

পরে ১৯ সেপ্টেম্বর সোহানের মা সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৫৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এতে শেখ বশিরউদ্দীনকে ৪৯ নম্বর আসামি করা হয়। আদালত অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে রামপুরা থানা-পুলিশকে নির্দেশ দেন।

তদন্তে তাঁর সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় শেখ বশিরউদ্দীন এখন মামলার দায় থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি পেলেন।

এনএনবাংলা/