সাম্প্রতিক
দেশে প্রথমবার লটারিতে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত কয়েকশ ডেঙ্গুতে ১০ মৃত্যু, হামের উপসর্গে আরও ৬ প্রাণহানি কাশ্মীর থেকে ১৫০ ‘অবৈধ বাংলাদেশিকে’ ফেরত পাঠানোর খবরে সীমান্তে সতর্ক বিজিবি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে ঘেরাও করে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ, পিএসকেও মারধর চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা শুধু মোকাবিলা নয়, বিজেপিকে ধ্বংস করে দেব: রাহুল গান্ধী ৩০ ব্যাংকের বন্ধ কার্ড ও ডিজিটাল সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ চট্টগ্রামে ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কেন? সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাইযোদ্ধারা, ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক-গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Skip to content

আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো রংপুর বিভাগীয় ইজতেমা

রংপুর ব্যুরো:

রংপুরে শুরু হওয়া বিভাগীয় ইজতেমা শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টায় আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। রংপুরে এবারেই প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছিলো লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উপস্থিতিতে তাবলিগ জামাতের বিভাগীয় ইজতেমা। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ভোরে  তাবলিগ জামাতের তিন দিনব্যাপী বিভাগীয় ইজতেমা মাওলানা আব্দুল কাদের’র আম বয়ানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। যা শনিবার তিনদিনব্যাপী বিভাগীয় ইজতেমা শেষে দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় ইন্ডিয়া থেকে আগত মেহমান নেজামুদ্দিন মার্কাজের মাওলানা সাহেব আখেরী দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন।

রংপুর নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আমাশু কুকরুল এলাকায় প্রায় ৮০ একর জমি নিয়ে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে বিভাগীয় ইজতেমার আয়োজন করা হয়। মাসব্যাপী প্রস্তুতিতে পুরো ইজতেমার মাঠ ঘেরা হয়েছে। যেখানে আগের রাতেই অথাৎ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সবাই ইজতেমা মাঠে আসেন এবং মাঠ ভরে যায়।

আয়োজক কমিটির তথ্য মতে, এবারের বিভাগীয় ইজতেমায় রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে তাবলিগের সাথিরা অংশ নিয়েছেন। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার ৪০ দিনের চিল্লায় অংশ নেওয়া সাথীরাও অংশ নেয় এই ইজতেমায়। সবমিলিয়ে কয়েক লক্ষাধিক মুসল্লি বলে ধারণা। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসে অংশ নিয়েছেন প্রায় ২০০ বিদেশি মেহমান। যা সুন্দরভাবে আয়োজন শেষ আজ শেষ হলো আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে।

আয়োজক কমিটির সদস্য খালেকুজ্জামান রাজা জানান, বিভাগীয় ইজতেমার মাঠকে আলোকিত রাখতে বিদ্যুৎ সংযোগের পাশাপাশি শতাধিক জেনারেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো। মুসল্লিদের ওজু ও গোসলের জন্য পর্যাপ্ত পানি ও ট্যাপের ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। আগত মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে অর্ধশতাধিক মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক মাঠে নিয়োজিত ছিলো। যা আজ

অপরদিকে বিভাগীয় ইজতেমার নিরাপত্তায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছিলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সাদা পোশাকে পুলিশি নজরদারির পাশাপাশি সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছিলো বলে জানিয়েছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী। এদিকে রংপুর বিভাগীয় ইজতেমার মাঠে ঠান্ডাজনিত সমস্যার কারণে দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। স্বাভাবিক মৃত্যু বলে নিশ্চিত করেছিলেন পুলিশ।