সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

টেংরাটিলা বিস্ফোরণে ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে বাংলাদেশ

 

দীর্ঘ আইনি লড়াই ও আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের পর অবশেষে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণের জন্য বাংলাদেশ পাচ্ছে ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউট (ICSID) ট্রাইব্যুনাল রায়ে নির্দেশ দিয়েছে, ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাংলাদেশকে অর্থ প্রদান করতে হবে কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোকে।

সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের প্রত্যাশা অনুযায়ী পুরো অর্থ মেলেনি। আমরা ১০০ কোটি ডলারের দাবি জানিয়েছিলাম, তবে ৪.২০ কোটি মার্কিন ডলারই ক্ষতিপূরণ হিসেবে পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনজীবীর সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ আলোচনা করব।”

২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর নাইকোকে এই কাজ দেওয়া হয়েছিল। চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ৫ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে ভাইস প্রেসিডেন্টের অনুকূলে ৪০ লাখ কানাডিয়ান ডলার হস্তান্তর শুরু করে। পরবর্তীতে অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের জাতীয় সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

খনি কাজ শুরু হওয়ার পর ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটে, যা গ্যাস মজুদ পুড়ে যাওয়া এবং আশপাশের স্থাপনা ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়।

এনএনবাংলা/