সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

জ্বালানি তেল বিক্রিতে তুলে নেওয়া হলো সব বিধিনিষেধ, বাড়ছে না দাম

 

জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

রোববার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তিনটি কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, দেশে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ এসে পৌঁছেছে। দ্বিতীয়ত, সামনে ঈদুল ফিতরকে ঘিরে জ্বালানির চাহিদা বাড়বে। তৃতীয়ত, চলমান বোরো মৌসুমে কৃষিকাজে জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা বেশি। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সম্ভাবনা প্রসঙ্গে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এ নিয়ে মানুষের উদ্বেগ থাকা স্বাভাবিক। তবে সরকার যতদিন অর্থনীতি চাপ সামলাতে পারবে, ততদিন তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার চেষ্টা করা হবে। আপাতত দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি।

এর আগে শনিবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, ঈদযাত্রার বাড়তি চাপ বিবেচনায় দূরপাল্লার বাসসহ গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি নেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো সীমা রাখা হবে না।

তিনি বলেন, রোববার থেকে ঈদযাত্রার চাপ বাড়তে পারে। তাই আগেই গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত থেকেই দূরপাল্লার বাসসহ অন্যান্য গণপরিবহনের জ্বালানি নেওয়ার সীমা তুলে দেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ মার্চ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের ওপর সীমা নির্ধারণ করেছিল।

সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারত। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে সীমা ছিল ১০ লিটার। এসইউভি ও মাইক্রোবাসের জন্য দৈনিক ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এ ছাড়া পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারত। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক সীমা ছিল ২০০ থেকে ২২০ লিটার।

পরবর্তীতে গত ১০ মার্চ রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে এই সীমা কিছুটা বাড়ানো হয়। শুরুতে দিনে ২ লিটার তেল নেওয়ার অনুমতি থাকলেও তা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ লিটার করা হয়।

এনএনবাংলা/পিএইচ