সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

এপ্রিলে তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস, ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

 

চলতি এপ্রিল মাসে দেশের আবহাওয়ায় একসঙ্গে তাপপ্রবাহ, ঝড়-বৃষ্টি এবং সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের মতো বৈচিত্র্যময় পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মাসজুড়ে আবহাওয়ার এই পরিবর্তনশীল ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

বুধবার (১ এপ্রিল) অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভায় জানানো হয়, এপ্রিল মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং দুই থেকে চারটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তীব্র তাপপ্রবাহের সময় দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তবে সার্বিকভাবে দিন ও রাতের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের আবহাওয়া নিয়েও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ফলে উপকূলীয় এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিলজুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঁচ থেকে সাত দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে এক থেকে তিন দিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে।

কৃষি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানির প্রবাহ স্বাভাবিক থাকতে পারে। পাশাপাশি দৈনিক গড়ে ৫.৫ থেকে ৭.৫ ঘণ্টা সূর্যকিরণ থাকতে পারে এবং ৩.০ থেকে ৫.০ মিলিমিটার বাষ্পীভবনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা কৃষি কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে।

এনএনবাংলা/