সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নববর্ষের অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশ, ফানুস-আতশবাজি নিষিদ্ধ

ফাইল ছবি

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সব অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে নিরাপত্তার স্বার্থে ফানুস উড়ানো, আতশবাজি, গ্যাস বেলুন ও ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারোসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপন শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বুধবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরসহ দেশব্যাপী আয়োজিত সব অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে এবং বিকেল ৫টার পর এসব এলাকায় নতুন করে কোনো দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’কে ঘিরে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা মুখোশ পরে অংশ নিতে পারবেন না, তবে হাতে বহন করা যাবে। এছাড়া মিছিল শুরু হওয়ার পর মাঝপথে কেউ যোগ দিতে পারবে না।

নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না এবং
৩০০ ফিট এলাকায় মোটরসাইকেল বা কার রেসিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ওয়াচ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে বসানো হবে এবং ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বড় অনুষ্ঠানস্থলগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক যান, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম মোতায়েন থাকবে। রমনা লেকে দুর্ঘটনা এড়াতে ডুবুরি দল প্রস্তুত রাখা হবে। ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

এছাড়া সাধারণ জনগণকে ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, লাইটার বা দেয়াশলাই বহন না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং শিশুদের সঙ্গে পরিচয় সংবলিত নোট রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রাখার অনুরোধও জানানো হয়েছে।

সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বাঙালির এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করবে।

এনএনবাংলা/