সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

রাষ্ট্রপতি হওয়ার ইচ্ছা নেই, রাজনীতি ছাড়তে চান ফখরুল

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, তার রাষ্ট্রপতি হওয়ার কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই। একই সঙ্গে আসন্ন দলীয় কাউন্সিলের পর রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “রাষ্ট্রপতি হওয়ার মতো কোনো প্রত্যাশা আমার কখনই ছিল না। আমি যেখানে এসেছি, সেটা আমার ভাগ্যের কারণে। ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা আমাকে এখানে নিয়ে আসেনি।”

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চলতি বছরেই জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও এখনো দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি, তার আগে তৃণমূল পর্যায়ের সম্মেলন সম্পন্ন করা হবে।

রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি খুবই ক্লান্ত। আগামী কাউন্সিল পর্যন্ত থাকতে হচ্ছে। এরপর অবসর নিতে চাই। বয়স হয়েছে, অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।”

 

দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রায় এক দশক আগে। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে নতুন কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি। তবে সাম্প্রতিক নির্বাচন শেষে বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে এবং স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে ২০১১ সাল থেকে পাঁচ বছর তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন। ২০০৯ সালে দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।

ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

পেশাজীবনে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে পরে সরকারি দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৯০-এর দশকে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।

এনএনবাংলা/