Skip to content

বিয়ে করার মতো একজনকে পেয়েছিলাম, কিন্তু সে ভেগে গেছে: বাঁধন

জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন জানিয়েছেন, গত বছর তার বিয়ের পরিকল্পনা ছিল এবং বিয়ে করার মতো একজন মানুষও পেয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক বিয়েতে গড়ায়নি।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের একটি অনলাইন পোর্টালের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ব্যক্তি জীবন, প্রেম, বিয়ে এবং ঈদ উদযাপন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন বাঁধন।

নতুন করে প্রেম বা বিয়ের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অভিনেত্রী বলেন, গত বছর তিনি বিয়ের কথা ভেবেছিলেন। এমনকি বিয়ে করার মতো একজন মানুষও জীবনে এসেছিলেন।

বাঁধন বলেন, ‘সত্যি বলছি, গত বছর বিয়ের পরিকল্পনা ছিল। পরিকল্পনা থাকলেও আমার পছন্দমতো মানুষ পেতে হবে। বিয়ে করার মতো একজনকে পেয়েও ছিলাম। যার মা আমাকে খুব পছন্দ করেছিল। কিন্তু সে আসলে ভেগে গেছেন।’

বর্তমানে বিয়ে করার মতো উপযুক্ত কাউকে খুঁজে পাচ্ছেন না বলেও জানান তিনি। যদিও প্রেম করার জন্য কয়েকজন মানুষ জীবনে এসেছিলেন।

অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘এখন আমি বিয়ে করার মতো পাত্র আমার আশেপাশে পাই নাই। প্রেম করার জন্য দুই একজনকে পেয়েছিলাম। তার মধ্যে একজনের সঙ্গে প্রেমও করেছি। কিন্তু বিয়ে করার জন্য পাত্রই আসলে গুরুত্বপূর্ণ।’

দুইবার বিয়ের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে বাঁধন বলেন, ‘বিয়ে তো আমি দুইবার করে ফেলেছি। এখন আর নিশ্চয়ই সেই ভুলটা করা যাবে না।’

শুধু ব্যক্তিগত জীবন নয়, ঈদ উদযাপন নিয়েও স্মৃতিচারণ করেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, ছোটবেলায় কোরবানির ঈদ মানেই ছিল গ্রামের বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটানো।

বাঁধন বলেন, ‘ঘুরতে যাওয়া হয় মূলত আত্মীয়-স্বজনদের বাসায়। বিশেষ করে আমার বড় মামার বাসায় যাওয়া হয়। খালাতো ভাইয়েরা আদাবরে থাকে, কখনো সেখানে যাই। আবার উত্তরখানে চাচাদের বাসায়ও যাওয়া হয়।’

গ্রামের ঈদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আগে আমরা কোরবানির ঈদে গ্রামে গিয়ে ঈদ করতাম। আমাদের গ্রাম মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে। ছোটবেলায় গ্রামের ঈদটাই ছিল আলাদা এক উৎসব। বাবা সরকারি চাকরি করতেন, মফস্বলে পোস্টিং ছিল। সেখান থেকে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ঈদ করার আনন্দটা অন্যরকম ছিল।’

তবে সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র বদলে গেছে বলেও জানান অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ‘এখন আর গ্রামে সেভাবে কেউ থাকে না, তাই যাওয়া হয় না। আসলে এখন ঈদের আনন্দটা অনেকটাই দায়িত্বে পরিণত হয়েছে।’

রোজার ঈদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বাঁধন বলেন, ‘আমাদের কাছে রোজার ঈদের সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল সিনেমা হলে যাওয়া। বিশেষ করে গেল ঈদে “বনলতা এক্সপ্রেস” দেখার আনন্দটা এখনও মনে আছে।’

এনএনবাংলা/