সাম্প্রতিক
একনেকে ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় আড়াই লাখ কোটি টাকা রামপালের ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ: বাড়ছে লোডশেডিং, এখনো পৌঁছায়নি ভারতীয় প্রকৌশলী ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাচ্ছে ট্রাম্প আনিসুলের ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, ৭৩৭ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন আবুল বারকাতের দুই ফ্ল্যাট-গাড়িসহ সম্পদ জব্দ, ১৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল: ওসির পর এবার ডিসি প্রত্যাহার ১৮ দিন পর ব্যাগ-মোবাইলসহ ‘আসল আসামি’ ধরার দাবি করল ডিবি একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে আগস্টে নতুন রেকর্ড
Skip to content

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০ গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীসংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮টি তাজা গুলি এবং দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মিয়ানমারের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

রোববার (১৪ জুন) দুপুরে টেকনাফের জাদিমুড়া বৌদ্ধমন্দির-সংলগ্ন লবণ মাঠে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোহাম্মদ মুত্তাকিন সিদ্দিকী।

তিনি জানান, কোস্ট গার্ডের কাছে তথ্য ছিল যে, সাবরাংয়ের জাদিমুড়া এলাকার নাফ নদীসংলগ্ন সীমান্তপথ ব্যবহার করে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত করে রেখেছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (১৩ জুন) রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের একপর্যায়ে জাদিমুড়া এলাকায় মাটির নিচে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত দুটি 36M Mk-1 হ্যান্ড গ্রেনেড, আটটি 40 mm HEDP গ্রেনেড এবং ২৮টি ৭.৬২ মিলিমিটার তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। একই স্থান থেকে দুই কেজি গাঁজাও জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

উদ্ধার করা গ্রেনেড, গুলি ও মাদকদ্রব্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা ও নাফ নদী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও মানব পাচার এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর অপতৎপরতা প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এনএনবাংলা/