সাম্প্রতিক
কলকাতায় বাংলাদেশি রোগী কমতেই নতুন উদ্যোগ, লিয়াজোঁ টিম পাঠাচ্ছে হাসপাতালগুলো বিদেশ ভ্রমণে বছরে খরচ করা যাবে ১৮ হাজার ডলার দিল্লিতে ৬ তলা মেসবাড়ি ধসে নিহত ১, অর্ধশত শিক্ষার্থীর আটকা পড়ার শঙ্কা ‘কল্পনার ভেতর এখনও দেখা হয়, কথা হয়’—সালমান শাহকে নিয়ে মৌসুমী জানুয়ারিতে বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে ফের বিশৃঙ্খলার শঙ্কা, অনুমোদন পায়নি সাদপন্থিরা আজও ডেঙ্গুতে ৪ মৃত্যু, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বললেন —‘ভয়াবহ রূপ নিতে পারে’ দেশে মানুষের মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা সংঘাত এড়িয়ে সমঝোতার রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ফোন জব্দ, ‘ম্যাচ পাতানোর শঙ্কা’ ডিসেম্বরে দেশে ফেরা হচ্ছে না শেখ হাসিনার
Skip to content

‘তারা আমার সন্তান ফারহান ফাইয়াজকে মেরে ফেলেছে’

২০২৪ সালের ১৮ জুলাই, জুলাই গণঅভ্যুত্থান যখন ধীরে ধীরে বিস্তৃত হতে শুরু করে, তখন রাজধানীর ধানমন্ডিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। পুলিশ ও তাদের গুলিতে নিহত হন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী ফারহান ফাইয়াজ।

ফারহানের মৃত্যু আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। মাত্র ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই এক তরুণ শিক্ষার্থীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু সেদিন দেশজুড়ে তীব্র শোক ও ক্ষোভের জন্ম দেয়। তার মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

সেদিন বিকেলে সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষক নাজিয়া খান ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন, যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং আন্দোলনকারীদের আবেগ ও প্রতিবাদকে আরও বেগবান করে।

স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছিলেন, ‘তারা আমার সন্তান ফারহান ফাইয়াজকে মেরে ফেলেছে। তার এখনো ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি। আমি এই হত্যার বিচার চাই। সে ২০০৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেছে। আমি চাই আপনারা সবাই আওয়াজ তুলুন। সংশ্লিষ্টদের জন্য জানাচ্ছি, ফারহান আমার বায়োলজিক্যাল ছেলে না। কিন্তু সে আমার কাছে আমার নিজের সন্তানের চেয়ে কম নয়।’

একই দিনে টেন মিনিট স্কুলের প্রধান প্রশিক্ষক ও ইংরেজি শিক্ষক মুনজেরিন শহীদও ফেসবুকে শোক প্রকাশ করে লিখেছিলেন, ‘আমার ছাত্র ফারহান আর নেই। আমি বিষয়টি বিশ্বাসই করতে পারছি না। কিছুদিন আগে তার সঙ্গে আমি গ্রামার-বিষয়ক একটি ভিডিও তৈরি করেছিলাম।’

১৮ জুলাই বিকেলে ধানমন্ডিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ চলাকালে গুরুতর আহত হন ফারহান ফাইয়াজ। পরে তাকে দ্রুত সিটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এনএনবাংলা/