সাম্প্রতিক
আজ থেকে আবারও রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাট বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব উপকূলে জমকালো দুর্গাপূজায় প্রশংসা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে যে ৩ কঠিন পরীক্ষা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি এনসিপির ১৯৬৭’র পর সবচেয়ে বড় ‘সামরিক অভিযানের’ প্রস্তুতি ইসরায়েলের তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি কক্সবাজারে এবার হোটেলে আগুন, আতঙ্কে সৈকতে ছুটলেন পর্যটকরা কানাডায় নারীকে পাচার ও ধর্ষণের অভিযোগে ২ বাংলাদেশির কারাদণ্ড লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাইয়ের ২৪০ কোটি টাকার ফ্ল্যাট জব্দ হাত মেলানোর অপেক্ষায় বাংলাদেশ-ভারত
Skip to content

বিশ্বকাপ ফাইনালে নেচে গেয়ে কত টাকা পাচ্ছেন শাকিরা-জাস্টিন বিবাররা

বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ। আর ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই মহারণের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এক নতুন বিনোদন আয়োজন। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে অনুষ্ঠিত হবে ‘সুপার বোল’ আদলে হাফ-টাইম শো। এই ঘোষণার পর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি সংগীতপ্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কত পারিশ্রমিক পাচ্ছেন?

৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই বেশ কিছু নতুন নিয়ম ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা গেছে। তবে সবচেয়ে আলোচিত সংযোজন হিসেবে সামনে এসেছে ফাইনালের প্রায় ১১ মিনিটের হাফ-টাইম শো। এই বিশেষ আয়োজনে মঞ্চ মাতানোর কথা রয়েছে শাকিরা, জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা এবং জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএসের সদস্যদের।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানিয়েছে, এই পারফরম্যান্সের জন্য শিল্পীদের কোনো নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে না। তবে অনুষ্ঠান আয়োজনের সব ধরনের ব্যয়, যেমন—মঞ্চ নির্মাণ, প্রোডাকশন, প্রযুক্তিগত সহায়তা, যাতায়াতসহ প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সুবিধা আয়োজকদের পক্ষ থেকেই বহন করা হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই আয়োজনটি যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় সুপার বোল হাফ-টাইম শো-এর আদলে তৈরি করা হয়েছে। সেখানে যেমন শিল্পীদের প্রধান আকর্ষণ থাকে বিশ্বের কোটি কোটি দর্শকের সামনে নিজেদের পরিবেশনার সুযোগ, তেমনি বিশ্বকাপের এই মঞ্চও তাদের জন্য বিশাল প্রচারের সুযোগ তৈরি করবে।

এ ধরনের বৈশ্বিক অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার পর শিল্পীদের গান স্ট্রিমিং, অ্যালবাম বিক্রি এবং বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। তাই অনেক আন্তর্জাতিক তারকা আলাদা পারিশ্রমিক ছাড়াই এমন আয়োজনের অংশ হতে আগ্রহী হন। তবে মহড়া চলাকালে তাদের জন্য দৈনিক ভাতা বা স্টাইপেন্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়।

এর আগেও ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে অনেক আন্তর্জাতিক শিল্পী নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক ছাড়াই অংশ নিয়েছেন। ফিফার মতে, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরে পারফর্ম করার সুযোগ শিল্পীদের জন্য আর্থিক লাভের চেয়েও অনেক বড় প্রচার ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দেয়।

সব মিলিয়ে, ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল শুধু ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের ম্যাচই নয়, বরং সংগীত ও বিনোদনের এক নতুন অধ্যায়েরও সূচনা করতে যাচ্ছে। তাই মাঠের উত্তেজনার পাশাপাশি বিরতির এই ব্যতিক্রমী হাফ-টাইম শোও দর্শকদের জন্য হতে পারে সমান আকর্ষণের এবং স্মরণীয় এক অভিজ্ঞতা।

এনএনবাংলা/