সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

যে কারণে শাস্তি হচ্ছে না কোহলির?

অনলাইন ডেস্ক :

ওয়ানডে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে টেস্ট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্ঘাত এখন স্পষ্ট। বিসিসিআই প্রধান সৌরভের বক্তব্যকে অস্বীকার করেছেন কোহলি। এখন প্রশ্ন উঠেছে, বোর্ড কি কোহলির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবে? সামনেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে ভারতীয় দল। এই সফরের আগে কিংবা মাঝপথে কোহলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাবনা কম বলেই জানা গেছে। পিটিআই জানিয়েছে, গত বুধবার কোহলির বিস্ফোরক সংবাদ সম্মেলনের পরেই সৌরভ, বোর্ড সচিব জয় শাহসহ বিসিসিআইয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা জুম কলে একটি বৈঠক করেন। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বোর্ডের পক্ষ থেকে এই ইস্যুতে এখনই কোনো সংবাদ সম্মেলন করা হবে না, কিংবা বিবৃতি দেওয়া হবে না। সেই কারণেই গত বৃহস্পতিবার সৌরভকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যাপারটা দেখব। বিষয়টা বোর্ডের ওপর ছেড়ে দিন।’ এমনিতেই ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোনো ঝামেলা হলে বিসিসিআইয়ের কেউ মিডিয়ার কাছে মুখ খোলেন না। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মূলত তিনটি কারণে এই মুহূর্তে কোহলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। প্রথমত, এটা শুধু ভারত অধিনায়ক বা ভারতীয় বোর্ডের কর্মকর্তাদের নয়, বিশ্বের কাছে ভারতীয় ক্রিকেটের সম্মান আর ভাবমূর্তির প্রশ্ন। তাই বিদেশ সফরের মাঝপথে বড় পদক্ষেপ নিলে দলের মনোবল নষ্ট হতে পারে। খেলায় তার প্রভাব পড়তে পারে। বোর্ড এখনই এই রাস্তায় যেতে চাইছে না। দ্বিতীয়ত, দক্ষিণ আফ্রিকা এখন আর আগের মতো শক্তিশালী নেই। ফলে কোহলিদের সিরিজ জয়ের যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। বোর্ড কর্মকর্তারা মনে করছেন, একবার কঠোর কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পর দল যদি জিতে যায়, নেতৃত্ব হারিয়ে নির্ভার হওয়া বিরাট কোহলি যদি সিরিজে দু-একটি সেঞ্চুরি করে ফেলেন, সেটা বোর্ডের জন্যই বুমেরাং হয়ে যাবে। সাবেক সফল অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর বিসিসিআই সেই ঝুঁকি নিতে চাইছে না। আর তৃতীয় কারণটি হলো, সাধারণত চুক্তিবদ্ধ কোনো ক্রিকেটার বোর্ড বা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক মন্তব্য করতে পারেন না। কিন্তু এখানে কোহলির হাতে অস্ত্র আছে। তিনি নিজে থেকে সংবাদ সম্মেলন ডাকেননি, কোনো বিবৃতিও দেননি। বোর্ডেরই ডাকা সংবাদ সম্মেলনে তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন। তাকে যে রকম প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি তার সে রকম উত্তর দিয়েছিলেন। আইন বা নীতির দিক দিয়েও কোহলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত হবে, সেটাও জরুরি সভায় আলোচনা করেছেন সৌরভরা।