সাম্প্রতিক
শীতের সবজিতে কমছে দাম, ডিমেও ফিরছে স্বস্তি; চড়া মাছ-মাংসের বাজার হাসানের ৬ উইকেটের পরও অস্বস্তিতে দিন শেষ বাংলাদেশের টেকনাফের পাহাড়ে পড়ে আছে তিনজনের মরদেহ, উদ্ধারে অভিযান রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ১৯ নভেম্বর, মিয়ানমারের দায় নির্ধারণ ও ন্যায়বিচারের আশা বাংলাদেশের যত বিতর্ক, যত কাণ্ড পরীমনির তাহসিফ হত্যা: রিমান্ডে বান্ধবী দিশার দেওয়া তথ্য ঘিরে নতুন রহস্য আবারও আলোচনায় গোলাম মাওলা রনির বিয়ে, স্ত্রী দাবি করা নারী কে? মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী আজ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
Skip to content

গাইবান্ধায় মাদক মামলায় এক ব্যাক্তির আমৃত্যু কারাদন্ড

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের একটি মাদক মামলায় সাজু মিয়া (৩৫) নামের এক ব্যক্তির আমৃত্যু কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। আজ বুধবার দুপুরে গাইবান্ধার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ রায় দেন। রায় প্রদানের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। সাজাপ্রপপ্ত সাজু মিয়ার বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বুজরুক বোয়ালিয়া শিল্পপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আবদুস সাত্তারের ছেলে।
আজ দুপুরে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি মো. ফারুক আহম্মেদ। তিনি বলেন, রায়ে আমৃত্যু কারাদন্ড ছাড়াও সাজু মিয়াকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ (১), টেবিল ৯ (খ) ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে একমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। এই মামলার অপর আসামি সিরাজুল ইসলামকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তার বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কুঞ্জমালঞ্চা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের ছেলে।
মামলা বিবরণে জানা যায়, মাদক কেনাবেচা হবে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৮ সালে ২৫ নভেম্বর রাতে পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুন্দখালাশপুর গ্রামে অভিযান চালায়। এসময় ওই গ্রামের ল্যাংড়াবাজার-কালিতলা পাকা রাস্তায় উপর অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয় চলছিল। অভিযান চলাকালে ১০৫ পিস ইয়াবা ও ৬০ গ্রাম হেরোইনসহ সাজু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। টের পেয়ে তার অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক শান্তানুর রহমান বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাজু ও সিরাজুল ইসলামের (৩২) নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়। সাজু মিয়া এলাকার মাদকের গডফাদার হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত এ রায় দেন।
আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন শাহনেওয়াজ খান।