সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

ইদে বৃন্দাবন দাস-চঞ্চল চৌধুরীর ‘পিকচারম্যান’

অনলাইন ডেস্ক :

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ছবি তোলার জন্য সকাল-সন্ধ্যা ছুটে বেড়ায় মফিজ। ছবি তোলা এখন শুধু তার পেশা নয়, নেশা হয়ে গেছে। নিজেকে আলোকচিত্রশিল্পী দাবী করে সে তাই তার নাম হয়ে গেছে পিকচার মফিজ। এক ধরণের সম্মোহনী শক্তি আছে বলে সে কাজও পায় বেশ। এজন্য অন্যরা তাকে ঈর্ষা করে। সদ্যবিবাহিত যুগল যারা মধুচন্দ্রিমায় যায় তাদের ছবি তুলতে বেশি আগ্রহ মফিজের। একদিন এক যুগলকে দেখে চমকে ওঠে সে। যে মেয়েটির ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনায় এলাকা ছাড়া হতে হয় তাকে। স্থানীয় বাজারের ছোট্ট একটা স্টুডিওতে ফটোগ্রাফারের কাজ করতো মফিজ। মেয়েটি তার স্টুডিওর সামনে দিয়ে নিয়মিত স্কুলে যেত। মফিজ সে সময় দাঁড়িয়ে তাকে দেখতো। একদিন মেয়েটি স্টুডিওতে ছবি তুলতে আসে। এরপরই বিপত্তি ঘটে। মেয়েটির সঙ্গে প্রেম করতে চাওয়া যুবকরা এলাকায় প্রচার করে দেয় একা পেয়ে মেয়েটিকে স্পর্শ করেছে মফিজ। শাস্তিস্বরূপ এলাকা ছাড়া করা হয় মফিজকে।