সাম্প্রতিক
একনেকে ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় আড়াই লাখ কোটি টাকা রামপালের ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ: বাড়ছে লোডশেডিং, এখনো পৌঁছায়নি ভারতীয় প্রকৌশলী ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাচ্ছে ট্রাম্প আনিসুলের ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, ৭৩৭ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন আবুল বারকাতের দুই ফ্ল্যাট-গাড়িসহ সম্পদ জব্দ, ১৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল: ওসির পর এবার ডিসি প্রত্যাহার ১৮ দিন পর ব্যাগ-মোবাইলসহ ‘আসল আসামি’ ধরার দাবি করল ডিবি একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে আগস্টে নতুন রেকর্ড
Skip to content

ভেনিসের আকুয়া আলতা লাইব্রেরি বিশ্ব বিখ্যাত

অনলাইন ডেস্ক :

মধ্যযুগের আদলে সাজানো বইয়ের পুরাতন লাইব্রেরিটি দিন দিন আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পর্যটকদের কাছে। বিশ্বের বইপ্রেমীদের আড্ডাখানা ভেনিসের আকুয়া আলতা লাইব্রেরি।আলোর পথে ডেকে চলা নীরব পথপ্রদর্শক বলা হয় লাইব্রেরিকে! হাজার বছরের লিখিত বা অলিখিত ইতিহাস স্তরে স্তরে সাজানো থাকে যে স্থানটিতে, বিশ্বের সব অঞ্চলের জ্ঞানের সর্বশ্রেষ্ঠ আলোকরশ্মি এক ছাদের নিচে নিয়ে আসার পরিকল্পনা থেকে সৃষ্টি হয় লাইব্রেরি। ইন্টারনেটের আধুনিক অনলাইন লাইব্রেরির যুগে ব্যতিক্রমী হলো সেন্টার ভেনিসের ‘আকুয়া আলতা লাইব্রেরি’। মধ্যযুগীয় আদলে লাইব্রেরিটিতে প্রতিদিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাজারও ক্রেতা/ দর্শনার্থীর ভিড় জমে।অন্তহীন জ্ঞানের আঁধার বই। সৃষ্টি থেকে বিশ্বের জ্ঞানীদের জ্ঞানের আলোকরশ্মি এক ছাদের নিচে নিয়ে আসার প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে লাইব্রেরি। বর্তমান ইন্টারনেট যুগ বা আধুনিক লাইব্রেরির ভিড়ে ভেনিস সেন্টারের ‘আকুয়া আলতা লাইব্রেরি’ মধ্যযুগীয় আদলের লাইব্রেরিটিতে প্রতিবছর লাখ লাখ ভ্রমণকারীর পদচারণায় মুখরিত থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা পর্যটকরা পুরাতন এই বিশাল লাইব্রেরিটিতে এসে মুগ্ধ হচ্ছেন।পুরাতন আদলের লাইব্রেরি ‘আকুয়া আলতায়’ প্রবেশ করতেই প্রথমে অতিক্রম করতে হয় বিশাল ভিড়। মাঝখানে বিরাট গোন্দল নৌকায় সাজানো স্তরে স্তরে বই। বিশ্বের অধিকাংশ দেশের বই পাওয়া যায় এখানে। ক্রয় করা ছাড়াও বিনিময় করা যায় বই। অর্থাৎ একটি বই রেখে ইচ্ছেমতো অন্য বই নেওয়া। তখন নামমাত্র সার্ভিস চার্জ দিতে হয়।অনেক দেশের প্রকাশক ও লেখক তাদের বই উপহার দেন এই লাইব্রেরিতে। বিক্রির পর তাদের টাকা পৌঁছে যায় মালিকের কাছে। অনেকে আবার ঘরে জমা পুরাতন বইগুলো এই লাইব্রেরিতে পাঠিয়ে দেন। চাইলে পরিবর্তন করে নতুন বই নিতে পারেন। এই বিশেষ নিয়মগুলোর জন্য যুগ যুগ ধরে ‘আকুয়া আলতা’ লাইব্রেরিটি বিশ্বের লেখক, প্রকাশকদের প্রিয় স্থানে পরিচয় লাভ করেছে। এতে ভেনিস ঘুরতে আসা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাঠকরা সহজে তাদের প্রিয় লেখকের বইটি এখানে পেয়ে যান। এতে সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে লাইব্রেরিটি। মালিক লুইজি খুশি তিন প্রজন্মের এই লাইব্রেরিটির জন্য।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট ও অনলাইনের চাপে লাইব্রেরি যখন দিন দিন বন্ধ হচ্ছে, সেখানে ভেনিসের আকুয়া আলতা লাইব্রেরি প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে মুগ্ধ করছে। পুরাতন আদলের লাইব্রেরি কীভাবে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে সক্ষম, আকুয়া আলতা লাইব্রেরি একটি গবেষণা শ্রেণির উদাহরণ। আকুয়া আলতা বাংলা অর্থ জোয়ারের পানি। জোয়ারের পানির মতো উপচে পড়ে পর্যটকদের ভিড় প্রতিদিন এই লাইব্রেরিটিতে।