সাম্প্রতিক
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরও ৪০ জোর করে শিক্ষকের পদত্যাগের বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের ৫০০ টাকার ভারত-মিয়ানমারের ইলিশ ‘পদ্মার’ নামে বিক্রি ১৪০০-১৮০০ টাকায় খালি ‘ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া’ না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারইস্টের নজরুলের ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির খোঁজে দুদক চাঁদের ছবিতে মার্কিন পতাকা, ট্রাম্প লিখলেন ‘চাঁদ আমাদের’ ঢাকা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, উত্তরে আসিফ মাহমুদ-দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
Skip to content

ক্ষমা চাইলেন সিইসি

ফাইল ছবি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল তলোয়ার নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে চলমান সংলাপে তিনি এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি বলেন, ‘মাঝে মাঝে আমরা ভুল করি। এর জন্য দুঃখিত। আমি হাস্যরসের জন্য এটা বলেছিলাম। আমি এটা মিন করিনি। দয়া করে এর জন্য আমাকে ক্ষমা করুন।’

রবিবার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সঙ্গে আলোচনার সময় তার বিতর্কিত মন্তব্যের পর সমালোচনার মুখে পড়েন সিইসি।

তিনি বারবার বলেছেন, নির্বাচনে রাইফেল দিয়ে তরবারির জবাব দেয়ার বিষয়ে তার মন্তব্য একটি রসিকতা।

তিনি বলেন, ‘আপনাদের বুঝতে হবে যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কখনই এটিকে সিরিয়াসলি বলতে পারেন না। আমি হয়তো কম শিক্ষিত। এমনকি একজন স্বল্প শিক্ষিত ব্যক্তিও এ ধরনের কথা বলতে পারে না। আমি এটা রসিকতা হিসেবে বলেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কখনই এটা মিন করতে পারে না। এবং যদি আমি তা করতাম, তাহলে আমি প্রথম দিন থেকেই সবাইকে অস্ত্র সংগ্রহ করতে বলতাম। আপনারা অস্ত্র সংগ্রহ করুন এবং নিজেকে শক্তিশালী করুন। কিন্তু আমি কখনও এটি বলিনি। আমরা প্রায়ই বলি যে ইংরেজিতে একটি শব্দ আছে, হিউমার যার অর্থ রস বা রসিকতা।’

মঙ্গলবার তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে দৃঢ় মনোবল ও শক্তি নিয়ে মাঠে নামার পরামর্শ দেন।

সিইসি রাজনৈতিক দলগুলোকে আন্তঃদলীয় সংলাপ করতে বলেন এবং কিছু প্রশ্নে ঐক্যমতে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে বলেন; কারণ এটি একটি বড় সমস্যা..

তিনি আরও বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে এটি সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়ে।

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেয়। চার নির্বাচন কমিশনার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সকালে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সঙ্গে বৈঠকের কথা ছিল। কিন্তু দলটি সংলাপে যোগ দেয়নি।

এর আগে বাংলাদেশ মুসলিম লীগও সংলাপে অংশ নেয়নি।

এ পর্যন্ত আট দলের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে ইসি এবং ৩১ জুলাই পর্যন্ত অন্য ২৯ দলের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে।

—-ইউএনবি