সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞায় পাবনা মানসিক হাসপাতালে রোগী ভর্তি বন্ধ, ভর্তি রোগীদের ফেরত পাঠানোর নির্দেশ

ফাইল ছবি

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা:

টেন্ডার কার্যক্রমের উপর আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার কারণে পাবনা মানসিক হাসপাতালে রোগী ভর্তি বন্ধ ও ভর্তি থাকা রোগীদের বাড়িতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রোববার হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. রতন কুমার রায় স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। রোববার রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. শফিউল আযম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. রতন কুমার রায় স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়, ‘একজন ঠিকাদারের মামলার কারণে পাবনা মানসিক হাসপাতালে টেন্ডার কার্যক্রমের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। এ কারণে রোগীদের খাবার সরবরাহের জন্য ঠিকাদার নিযুক্ত করা যায়নি। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের খাবার সরবরাহে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একাধিকবার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ না দেয়ায় রোগীদের খাবার সরবরাহ চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগী ভর্তি বন্ধ ও ভর্তিকৃত রোগীদের পর্যায়ক্রমে বাড়িতে পাঠানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।’
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. রতন কুমার রায়ের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও ফোন বন্ধ থাকায় তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে, হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. শফিউল আযম বলেন, ‘আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ঠিকাদার নিযুক্ত না থাকায় গত দুই মাস ধরে বাকিতে রোগীদের খাবার কেনা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে কিভাবে বিলগুলো দেয়া হবে এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’