সাম্প্রতিক
মবের শিকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তদন্ত করবে জাতিসংঘ, আসছেন কর্মকর্তা ঢাকা থেকে হঠাৎ দিল্লি: ত্রিবেদীর চমক, নাকি শুধুই দৌড়ঝাঁপ? ‘জামিন পেলে সমাজে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হবে’, গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক তিন মাসে এলপিজির কাঁচামালের দাম কত ও কেন বাড়লো? ঢাকার রাস্তায় ‘মায়া রাইড’, নারী যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছেন নারী চালকরাই উত্তাল দিল্লি: পুলিশে টেনে-হিঁচড়ে সরানোর পরও রাস্তায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কার অবস্থান শেষ ম্যাচেও মেসি জাদুতে বুঁদ বিশ্ব, বিদায় বার্তায় কী বললেন ফুটবলের যাদুকর? কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের ‘অপতৎপরতা’ কঠোরভাবে দমন করা হবে: ডিবিপ্রধান সেপ্টেম্বরে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
Skip to content

ইন্দোনেশিয়ার সেই স্টেডিয়ামটি গুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক :

দুই সপ্তাহ আগে ইন্দোনেশিয়া পূর্ব জাভা প্রদেশের একটি স্টেডিয়ামে ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও পদদলিত হয়ে ১২৫ জনের প্রাণহানি ঘটে। সেই স্টেডিয়ামটি ভেঙে ফেলে আবার নতুন করে নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়াছে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) দেশটির রাজধানী জাকার্তায় ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ঘোষণা দেন তিনি। আর ১ বছর পর ইন্দোনেশিয়ায় অনুর্ধ্ব-২০ ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফিফা প্রেসিডেন্ট দেশটিতে ফুটবল খেলার সংস্কার ও রূপান্তরে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান জোকো উইদোদো। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা ফিফার নিয়মনীতি মেনে মালাংয়ের কাঞ্জুরুহান স্টেডিয়াম ভেঙে ফেলব এবং পুনর্নির্মাণ করব। নতুন নির্মিত স্টেডিয়ামে খেলোয়াড় এবং সমর্থক উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা থাকবে। ১ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভা প্রদেশের মালাংয়ের কাঞ্জুরুহান স্টেডিয়ামে জাভানিজ ডার্বিতে মুখোমুখি হয় আরেমা-পার্সেবায়া। ম্যাচটিতে ২-৩ গোলে হেরে যায় আরেমা। দল হারার পর আরেমার সমর্থকেরা মাঠে নেমে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। এতে পদদলিত হয়ে প্রায় ১২৫ জন মারা যায়। নিহতদের মধ্যে ছিলো ৪০ জন শিশু। আর এই ঘটনাকে ‘ফুটবলের জন্য কালো দিনগুলোর একটি’বলে অভিহিত করেছিলেন ফিফা প্রেসিডেন্ট। এই ঘটনার পর থেকে ইন্দোনেশিয়ার সর্বোচ্চ ফুটবল লিগ ‘লিগা-১’ বন্ধ রয়েছে। ফুটবল ম্যাচ নিরাপত্তা নিশ্চিতের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত লিগ বন্ধ থাকবে।