সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ঋষি সুনাক

অনলাইন ডেস্ক :

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পর পেনি মর্ডান্টও কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বের সম্ভাব্য লড়াই থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দলটির নেতা নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক।

এর মধ্য দিয়ে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি। মাত্র সাত সপ্তাহ আগে কনজারভেটিভ দলের নির্বাচনে লিজ ট্রাসের কাছে হারের পর এবার তিনি জয়ী হলে ফিরে এলেন।

ইতিহাস সৃষ্টি করে যুক্তরাজ্যের প্রথম এশিয়ান এবং এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে মাত্র ৪২ বছর বয়সে সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীও হচ্ছেন সুনাক। তার প্রতিদ্বন্দ্বী পেনি মর্ডান্ট সোমবার এক বিবৃতিতে নাম প্রত্যহারের ঘোষণা দেন।

এর পরপরই কনজারভেটিভ পার্টির ১৯২২ কমিটির প্রধান গ্রাহাম ব্রাডি বলেন, সুনাক হচ্ছেন দলের নতুন নেতা এবং নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার সুনাককে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

সুনাক টোরি (কনজারভেটিভ) এমপি’দের অর্ধেকেরও বেশি জনের সমর্থন পেয়েছেন। অন্যদিকে, পেনি মর্ডান্ট এমপি’দের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ১০০ সমর্থন জোগাড় করতে না পেরে প্রতিযোগিতা থেকে সরে যান। এক বিবৃতিতে সুনাককে পূর্ণ সমর্থন দেন তিনি।

বিবৃতিতে মর্ডান্ট বলেন, “এই সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক। এর মধ্য দিয়ে আবারও আমাদের দলের বৈচিত্র্য এবং প্রজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ঋষির প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন আছে।”

সুনাক যে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন, তা আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। লড়াই থেকে বরিস জনসন সরে যাওয়ার পর কার্যত নিয়মরক্ষার লড়াই ছিল সুনাকের। কারণ, মরডান্টের পক্ষে ১০০ এমপি’র সমর্থন জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

তিনি সরে যেতেই নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ক্ষেত্রে ঋষি সুনকের পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। দেশে গভীর বিভক্তি এবং অর্থনীতিতে মন্দার একটি সময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে চলেছেন।

প্রায় দু’মাস আগেই যুক্তরাজ্যে এক কনজারভেটিভ নেতা বরিস জনসনকে ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়ে যাওয়া এবং আরেক কনজারভেটিভ নেতা লিজ ট্রাসকে সেই জায়গায় আসতে দেখা গেছে। এবারও দেখা যাবে সেই একইরকম পট পরিবর্তন।

গত বৃহস্পতিবার পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস রাজা চার্লসের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। আর সুনাককে নতুন সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন চার্লস। সেটি কখন হবে তা এখনও জানা নেই। তবে বাকিংহাম প্রাসাদেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।