সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

মিয়ানমারে নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক :

মিয়ানমারের জান্তা সরকার ও সামরিক বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া একজন অস্ত্র ব্যবসায়ী ও তার কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা গ্রহণের পর গত দুই বছরে সহিংসতা ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ইইউ জানিয়েছে, ইউরোপীয় কাউন্সিল মিয়ানমারের প্রধান বিচারপতি ও একজন মন্ত্রীসহ ১৯ জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইইউ নতুন করে যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তার আওতায় রয়েছে মিয়ানমারের সামরিক সদস্য, বিচার বিভাগ, কারাগার পরিষেবা, রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের সদস্য ও দেশ পরিচালনার জন্য সামরিক সদস্য দিয়ে গঠিত সংস্থা। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কিয়াও মিন নামের এক অস্ত্র ব্যবসায়ী ও তার স্কাই এভিয়েটর কোম্পানিকে কালোতালিকাভুক্ত করেছে।মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে কিয়াও মিনের। তিনি উচ্চপদস্থ বিদেশি সামরিক কর্মকর্তাদের মিয়ানমারে সফরের ব্যবস্থা করতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছেন। তার কোম্পানি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পক্ষে অস্ত্র চুক্তি ও বিমানের যন্ত্রাংশ আমদানি সহজতর করতেও কাজ করেছে।আর্থিক বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক ট্রেজারি আন্ডার সেক্রেটারি ব্রায়ান নেলসন বলেছেন, মিয়ানমারে চলা সহিংসতায় মানুষের ভোগান্তির বিনিময়ে লাভবান হয়েছেন কিয়াও মিন।রাজনৈতিক বন্দিদের জন্য সহায়তা সংস্থা পর্যবেক্ষণ গ্রুপের তথ্যমতে, মিয়ানমারে গত দুই বছরে অন্তত দুই হাজার ৪০০ মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন। জাতিসংঘের শিশু সংস্থার ধারণা, এ সময় অন্তত ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।গত বছর ফেব্রুয়ারিতে এক অভ্যুত্থানে অং সান সু চিকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এ পর্যন্ত ইইউর কালোতালিকাভুক্ত হয়েছে দেশটির ৮৪ ব্যক্তি ও ১১ প্রতিষ্ঠান।