সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

শেরপুরের ঝিনাইগাতী বিটিসিএল একচেঞ্জের জায়গা এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর (ঝিনাইগাতী) :

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর বিটিসিএল একচেঞ্জের জায়গাটি এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও নজরদারীর অভাবে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও একচেঞ্জ অফিসের জায়গাটি বেহাত হয়ে যাচ্ছে। জানা যায়, গত প্রায় ৪যুগ পূর্বে ওইখানে সরকারী ভাবে বার্তা আদান প্রদানের জন্য একটি শক্তিশালী ওয়ার্লেস অফিস স্থাপন করা হয়। ওই ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অত্র অঞ্চলের বার্তা আদান-প্রদানের জন্য একটি শক্তিশালী যোগাযোগ মাধ্যম ছিল। পরবর্তীতে উক্ত ওয়ার্লেস অফিসের সাথে যুক্ত হয় টেলিফোন একচেঞ্জ। এতে একচেঞ্জের মাধ্যমে অত্রাঞ্চলে লেন ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। টেলিফোন একচেঞ্জ চালু থাকাকালিন সময়ে ওই অফিসের জায়গা নির্ধারণের জন্য খুঁটি ও কাঁটা তার দিয়ে বেষ্টনি দেওয়া ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে এনালগ সিস্টেম এর পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হওয়ায় উক্ত অফিসের উপর কর্তৃপক্ষ নজরদারি ও জনবল কমিয়ে দেয় একচেঞ্জ কর্তপক্ষ। এরপর থেকে অফিস রক্ষার বাউন্ডারী ক্ষতিগ্রস্থ্য হওয়ার ফলে অফিসের সীমানা প্রায় নিশ্চি‎হ্ন হতে চলেছে। অফিসের নির্দিষ্ট বাউন্ডারী না থাকায় এখন অফিসের জমির সীমানা নিয়েও জটিলতা দেখা দিয়েছে। এতে টেলিফোন একচেঞ্জের জায়গা বেহাত হয়ে যাচ্ছে। উক্ত একচেঞ্জের অফিসটি সংরক্ষিত রাখার কথা থাকলেও বর্তমানে অফিসটি অরক্ষিত ও বেহাল দশা অবস্থায় আছে। উল্লেখ্য উক্ত অফিসটি অরক্ষিত থাকার কারনে অফিসের জায়গায় ময়লা আবর্জনা ফেলানোর স্থান হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। যাহা অফিসের পরিবেশের অযুগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের মাধ্যমে উক্ত অফিসের পরিবেশ তৈরি করা জরুরি প্রয়োজন বলে সচেতন মহল মনে করে।