সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

উৎসবমুখর পরিবেশে কুবিতে সরস্বতী পূজা উদযাপন

কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে সরস্বতী পূজা আয়োজিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল থেকেই বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে হিন্দু ধর্মালম্বী শিক্ষার্থীরা দিনটি উদযাপন করেন। এ বিষয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রুপম চন্দ্র দাশ বলেন, “প্রতি বছরের মতো এবারও ক্যাম্পাসে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। আমরা যারা বাসায় যেতে পারিনি তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই দিনটি উদযাপন করছি।”

শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, একাউন্টটিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র দেব সহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সুব্রত সরকার বলেন, “আমরা আড়ম্বরপূর্ণভাবে পূজা করলেও আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন এই পূজার জন্য অর্থের প্রয়োজন দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা। কিন্তু প্রশাসন আমাদের দিয়েছে মাত্র পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা। সুতরাং এখানে আমাদের বড় অর্থ ঘাটতি রয়েছে।”

তাছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দির বা আলাদা কোনো কক্ষ না থাকার কথাটিও তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, “আমরা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি মন্দির এবং একটি কক্ষের ব্যবস্থা করতে; যেন আমরা আমাদের প্রার্থনা এবং ধর্মীয় কাজগুলো সুষ্ঠু ভাবে করতে পারি। কিন্তু প্রশাসন আমাদের শুধু আশ্বাসই দিয়ে গেছে। প্রশাসন যদি আমাদের দাবিগুলো মেনে নেয়, খুবই উপকৃত হবো।”

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল ৬.৩০ টায় প্রতিমা আনয়ন ও সংস্থাপন করা হয়। ৯ টায় দেবীর বন্দনা শুরু হয় এবং ১০.৩০ টায় দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলী অর্পণ করা হয়। দুপুর ১ টায় প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে পূজার সমাপ্তি হয়।