সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

৩০০ কোটি ডলারের নিচে পাকিস্তানের রিজার্ভ

অনলাইন ডেস্ক :

পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে। ৩ ফেব্রুয়ারি স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তানের তথ্য অনুযায়ী, তীব্র আর্থিক সংকটে থাকা দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৭ কোটি ডলার কমেছে। এখন এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯০ কোটি ডলার। ডনের এক প্রতিবেদনের এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে অর্থ চাইছে পাকিস্তান। এ নিয়ে কথাও হয়েছে। তবে, এই অত্যধিক প্রয়োজনীয় আর্থিক ছাড় এখনও করা হয়নি এবং আলোচনায় আটকে আছে। আইএমএফের ত্রাণ পাকিস্তানের জন্য অন্যান্য উৎস থেকে ঋণ নেওয়া সহজ করবে। আর এর ফলে দেশের অর্থনীতিতে গতি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান জানিয়েছে, ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে রাখা হয়েছে। এদিকে পাকিস্তানের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৫৬০ কোটি ডলারে। ফলে দেশের মোট নগদ বৈদেশিক রিজার্ভ হয়েছে ৮৫০ কোটি ডলার। পাকিস্তানের আর্থিক প্রতিষ্ঠান আরিফ হাবিব লিমিটেড হিসাব করেছে, তাদের রিজার্ভ ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর সর্বনিম্ন অবস্থায় আছে। এই রিজার্ভ দিয়ে দুই সপ্তাহের একটু বেশি আমদানি মূল্য পরিশোধ করা যাবে। আগের দিন পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছিলেন, সরকার ও আইএমএফের মধ্যে আলোচনা করা সমস্যাগুলো আজ সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নগদ সংকটে পড়া পাকিস্তান আইএমএফ থেকে ৭০০ কোটি ডলার ঋণ সুবিধা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। চরম অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার এটাই এখন প্রধান ভরসা পাকিস্তান। ঋণদাতা আইএমএফ অবশ্য ঋণের সঙ্গে বেশ কিছু শর্ত যুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় মুদ্রার জন্য বাজার নির্ধারিত বিনিময় হার ও জ্বালানি ভর্তুকি হ্রাস। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি বিনিময় হারের উপর একটি সীমা তুলে নিয়েছে এবং সরকার জ্বালানির দাম ১৬ শতাংশ বাড়িয়েছে।