সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

৩০০ কোটি ডলারের নিচে পাকিস্তানের রিজার্ভ

অনলাইন ডেস্ক :

পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে। ৩ ফেব্রুয়ারি স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তানের তথ্য অনুযায়ী, তীব্র আর্থিক সংকটে থাকা দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৭ কোটি ডলার কমেছে। এখন এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯০ কোটি ডলার। ডনের এক প্রতিবেদনের এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে অর্থ চাইছে পাকিস্তান। এ নিয়ে কথাও হয়েছে। তবে, এই অত্যধিক প্রয়োজনীয় আর্থিক ছাড় এখনও করা হয়নি এবং আলোচনায় আটকে আছে। আইএমএফের ত্রাণ পাকিস্তানের জন্য অন্যান্য উৎস থেকে ঋণ নেওয়া সহজ করবে। আর এর ফলে দেশের অর্থনীতিতে গতি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান জানিয়েছে, ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে রাখা হয়েছে। এদিকে পাকিস্তানের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৫৬০ কোটি ডলারে। ফলে দেশের মোট নগদ বৈদেশিক রিজার্ভ হয়েছে ৮৫০ কোটি ডলার। পাকিস্তানের আর্থিক প্রতিষ্ঠান আরিফ হাবিব লিমিটেড হিসাব করেছে, তাদের রিজার্ভ ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর সর্বনিম্ন অবস্থায় আছে। এই রিজার্ভ দিয়ে দুই সপ্তাহের একটু বেশি আমদানি মূল্য পরিশোধ করা যাবে। আগের দিন পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছিলেন, সরকার ও আইএমএফের মধ্যে আলোচনা করা সমস্যাগুলো আজ সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নগদ সংকটে পড়া পাকিস্তান আইএমএফ থেকে ৭০০ কোটি ডলার ঋণ সুবিধা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। চরম অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার এটাই এখন প্রধান ভরসা পাকিস্তান। ঋণদাতা আইএমএফ অবশ্য ঋণের সঙ্গে বেশ কিছু শর্ত যুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় মুদ্রার জন্য বাজার নির্ধারিত বিনিময় হার ও জ্বালানি ভর্তুকি হ্রাস। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি বিনিময় হারের উপর একটি সীমা তুলে নিয়েছে এবং সরকার জ্বালানির দাম ১৬ শতাংশ বাড়িয়েছে।