সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মিলনের মৃত্যু

দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত দুই জনের মধ্যে একজন মারা গেছেন। সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনিসুল হক ওরফে মিলনের (২৮) মৃত্যু হয়।

আনিসুল ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাহার মিয়ার ছেলে। এ নিয়ে গত শুক্রবার সকালে ঘটা ওই দুর্ঘটনায় ছয়জন মারা গেছেন। তারা সবাই ফেনী জেলার বাসিন্দা।

নিহতের ছোট ভাই রিমন মিয়াজী বলেন, তাদের দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে আনিসুল ছিলেন সবার বড়। তারও (রিমন) দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার কথাবার্তা চলছিল। একমাত্র উপার্জনক্ষম আনিসুলের পাঠানো টাকায় তাদের পরিবার চলত। ছোট বোনের বিয়েও হয়েছে তার পাঠানো টাকায়।

তিনি আরও বলেন, এর আগে একবার দক্ষিণ আফ্রিকায় তার ভাই সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয়েছিলেন। ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে বাবা বাহার মিয়া কথা বলতে পারছেন না। লাশ দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছে আনিসুলের পরিবার।

রিমন আরও বলেন, আমার বড় ভাই মিলন গত কয়েক দিন আগে খালাতো বোনের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়েও করেছিলেন। কিন্তু নতুন বউকে ঘরে তোলা হলো না। করোনা ও কাগজপত্র ঠিক করাসহ নানা কারণে তার দেশে ফেরা বিলম্বিত হয়।

এছাড়া শুক্রবার দেশে আসার জন্যই তিনি বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন। অন্যরাও তার সঙ্গে প্রাইভেটকারে ছিল। দেশে ফিরে তার বিয়ের অনুষ্ঠান করার কথা ছিল। এ জন্য তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বিয়ের অনেক বাজারও করেছিলেন।

এ দুর্ঘটনায় নিহত অন্য পাঁচজন হলেন-

ফেনী সদর উপজেলার বিরলী গ্রামের ঈসমাইল হোসেন (৩২), দাগনভূঞার মমারিজপুর গ্রামের রাজু আহম্মেদ (৩৪), দক্ষিণ নেয়াজপুর গ্রামের মোস্তফা কামাল (৪০), সোনাগাজীর দক্ষিণ চর মজিলিশপুর গ্রামের আবুল হোসেন (৪২) ও তার ছেলে নাদিম হোসেন (১০)।

—-ইউএনবি