সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

সিলেটের গোলাপগঞ্জে গাছে গাছে আমের মুকুল, বৃষ্টি না হলে ক্ষতির আশঙ্কা

সিলেটের গোলাপগঞ্জে গাছে গাছে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ। উপজেলার সর্বত্র আম গাছগুলোতে সোনালী রঙয়ের মুকুল শোভা পাচ্ছে। বৃষ্টি না হওয়ায় মুকুল ঝরে পড়ায় আমের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উপজেলায় আমের গাছ রয়েছে সর্বত্র। সুস্বাদু এই ফলের চারা রোপনে সর্বস্তরের জনগনের মধ্যে বেশ আগ্রহ দেখা যায়। বিশেষ করে বরেন্দ্র অঞ্চলের বিশেষ জাতের ও উচ্চ ফলনশীল আমের চারা বিগত কয়েক বছর ধরে গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক হারে রোপন করা হয়েছে।

এ জাতীয় আমের গাছ রোপনের মাত্র বছর, দু-বছরের মধ্যেই ফলন আসে বলে স্থানীয় জাতের চেয়ে বরেন্দ্র অঞ্চলের বিভিন্ন জাতের আমের চারা গোলাপগঞ্জের মানুষ বেশ আগ্রহের সঙ্গে সংগ্রহ করে থাকেন।

অন্যান্য বারের চেয়ে এবার গোলাপগঞ্জে আমের গাছগুলোতে মুকুলের সংখ্যা অধিক। মুকুল ঝরে না পড়লে ও যথাসময়ে বৃষ্টি হলে গোলাপগঞ্জে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়।

গোলাপগঞ্জে প্রায় আড়াই হাজার ছোট-বড় ও মাঝারি আকারের টিলা রয়েছে। একেকটি টিলা যেন একেকটি ফলের বাগান। বিশেষ করে ওই সব টিলাগুলোতে বিগত এক যুগ বা তার চেয়ে বেশিদিন ধরে উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন জাতের আমের চারা রোপন করায় সহজেই ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, গোলাপগঞ্জে বিগত ১০ বছরে লক্ষাধিক আমের চারা রোপন করা হয়েছে। প্রতি বছরই বিভিন্ন এলাকায় এর সংখ্যা কেবল বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গোলাপগঞ্জে যে হারে আমের চারা রোপন করে বাগান করা হচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে এ উপজেলা থেকে উৎপাদিত আম এলাকার চাহিদা মিটিয়ে অন্যত্র বিক্রয় করা সম্ভব হবে বলে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়। এক্ষেত্রে প্রবাসীরা বেশ আগ্রহী হয়ে তাদেরকে বাগান করতে দেখা যাচ্ছে।

গোলাপগঞ্জের টিলাগুলো আম চাষের জন্য খুবই উপযোগী, ফলে ঐ সব টিলায় আমের ফলন বেশ ভালো হয়ে থাকে।

গোলাপগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মাশরেফুল আলম এ প্রতিবেদককে জানান, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। আম চাষে কৃষকদেরকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমের ফলন বেশ ভালোই হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

—-ইউএনবি