সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

যুক্তরাষ্ট্রে পতনের মুখে ২০০ ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রে সিলিকন ভ্যালি ও সিগনেচার ব্যাংকের মতো আরও অন্তত ২০০ ব্যাংক পতনের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে ১৮৬টি ব্যাংক। নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য। বাইডেন প্রশাসন সম্প্রতি স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতিতে নিমজ্জিত মার্কিন ব্যাংকিং খাতকে টেনে তুলতে একাধিক পদক্ষেপ নিলেও শঙ্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ নেটওয়ার্কে সম্প্রতি প্রকাশিত মার্কিন অর্থনীতিবিদের গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দ্য নিউইয়র্ক পোস্ট ও আরটি জানিয়েছে, প্রায় ২০০টি মার্কিন ব্যাংক পতনের শঙ্কায় রয়েছে। তহবিল তুলে নিতে ব্যর্থ হতে পারে ১৮৬টি ব্যাংক। গুজবে ব্যাংক থেক টাকা তুলে নেয়া, শেয়ার বাজারে ধস ও সুদের হার দ্রুত বৃদ্ধির কারণে মার্কিন ব্যাংকগুলো এমন বিপর্যয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য অনেক অর্থনীতিবিদের। নতুন এ সমীক্ষায়, মার্কিন বিশিষ্ট চারজন অর্থনীতিবিদ মনে করেছেন, সাম্প্রতিক সুদের হার বৃদ্ধির কারণে মার্কিন ব্যাংকগুলোর কাছে থাকা সম্পদের বাজারমূল্য ব্যাপক পতন ঘটেছে। যেসব কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সমীক্ষায় আরও বলা হয়, গ্রাহকরা আমানত ফেরত দেয়ার অনুরোধ করলে ব্যাংকগুলো তাদের সিকিউরিটিজ বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এতে বড় ক্ষতিতে পরে ব্যাংকগুলো। সিলিকন ভ্যালি ক্ষেত্রে ঘটেছে এমন ঘটনা। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে অন্যান্য ব্যাংক দেউলিয়ার মুখে পড়ে যেতে পারে। এদিকে গ্রাহকদের আতঙ্ক কমাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আড়াই লাখ ডলারের বেশি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তাতে আশ্বস্ত হতে পারেননি আমানতকারীরা। ফলে মার্কিন ব্যাংকিং ইতিহাসের এই চরম সংকটময় অবস্থা কাটিয়ে ওঠা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।