সাম্প্রতিক
নিউ গিনি প্রপার্টিজে হামলা: সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন গ্রেপ্তার মিরপুরে হামলা-অগ্নিসংযোগের কাজ ‘ফ্যাসিজমের দোসরদের’: ডিএনসিসি প্রশাসক আপস মীমাংসায় প্রথম স্ত্রীর জামিন, গাজী নজরুলের জামিনেও বাদীর আপত্তি নেই কানাডা থেকে ৮ মাসে ৩৪০ বাংলাদেশি বহিষ্কার, প্রক্রিয়ায় আরও ১,৩৬৮ জাতিসংঘে জাইমার নিয়োগে সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: মাহদী আমিন অক্টোবরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা: এমপি মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এলপিজিতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে ব্যবস্থা, ডিসিদের নির্দেশ গরম বাড়তেই আবারও বেড়েছে লোডশেডিং
Skip to content

সিলেটে শিশুর লাশ নিয়ে মা ও শিশু হাসপাতালের বাণিজ্য

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট:
সিলেট নগরীর মা ও শিশু হাসপাতালে আরিয়ান আহমদ নামে চার মাসের এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনরা বিক্ষোভ করেছেন।
বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া শিশু বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা এলাকার জাবির আহমদের পুত্র।
ওই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও বাণিজ্যিক মনোভাবকে দায়ি করেন তার পিতা জাবির আহমদ।
পেশায় রাজমিস্ত্রি জাবির আহমদ জানান, মঙ্গলবার আমার ছেলের শরীর খারাপ করলে দুপুর দুইটার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। প্রথমেই তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরে তার লাইফ সাপোর্ট লাগে। কিন্তু আমি পেশায় রাজমিস্ত্রি। আমার এতো সামর্থ্য নাই। তাই কাল থেকে লাইফ সাপোর্টে রাখার পর আজ দুপুরে আমি ওসমানী হাসপাতালে নিতে চাই। তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে জানায় আমার বাচ্চার অবস্থা ভালো। আরও ২ দিন এখানে রাখা হলে আরও ভালো হয়। কিন্তু আমি আর্থিক সমস্যার কারণে রাজি হইনি। তখন তাদের বিল পরিশোধ করে যখন আমার বাচ্চা হাতে পেলাম তখন তারা বলে সে মারা গেছে। অথচ আমার বাচ্চা আরও আগে মারা গেলেও তারা ব্যবসা করার জন্য বলেনি।
হাসপাতালের ব্যবস্থাপক মুর্শেদুর রহমান বলেন, হাসপাতালের গাফিলতিতে শিশুর মৃত্যু হয়নি। স্বাভাবিক কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। আমরা শিশুর পরিবারকেও বিষয়টি বুঝিয়ে বলেছি। তারা সন্তুষ্ট হয়েছেন।
তবে এ ঘটনায় শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানার সোবহানীঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মুর্শেদ।
তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কথায় শিশুর পরিবার সন্তুষ্ট হয়েছেন। তাই তারা কোন অভিযোগ না দেওয়ায় আমরাও আইনি কোন পদক্ষেপ নিতে পারছি না। শিশুর পরিবারকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সুন্দর করে বুঝিয়ে বলেছেন। তাই তারা শান্তনা পেয়েছে।’