সাম্প্রতিক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ৯ নভেম্বর ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী চুয়েট ভিসির ঘোষণা: পদত্যাগ করিনি, সুস্থ হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরব ভারতের জেন-জি আন্দোলনের অনুপ্রেরণা বাংলাদেশ: নেহা বোরা ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ করার মত কোনো পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় গিয়ে ড্রোন হামলায় নিহত ২০ বাংলাদেশি দুই মন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করলো এলপিজি ব্যবসায়ীরা ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, হামের উপসর্গে প্রাণ গেল ৭ শিশুর হুথিবিরোধী অভিযানে ইসরাইলের আগ্রহ, সৌদি যুবরাজের ‘না’ সম্পত্তি বেচে স্কুল প্রতিষ্ঠা-বৃক্ষরোপণ, বিসিএস ছেড়ে প্রাথমিকের শিক্ষক—সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
Skip to content

ঢাকা থেকে খুলনায় গিয়ে মদের চালানসহ গ্রেফতার দুইজন

মাসুম বিল্লাহ ইমরান, খুলনা ব্যুরো: ঢাকা থেকে দেশী ও বিদেশী মদের চালান নিয়ে খুলনায় এসে গ্রেফতার হলেন দু’জন। এসময় জব্দ করা হয় একটি প্রাইভেট কার। বুধবার(১৪ মে) রাত আটটায় খুলনার রূপসা সেতুর টোল প্লাজায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি টিম ওই মদের চালান উদ্ধার করে। এসময় গ্রেফতার করা হয়, মোঃ আব্দুর রহিম শরীফ(৫৩) এবং গাড়িচালক মোঃ ওহাব শিকদার(৬০)কে। উদ্ধারকৃত মদের মধ্যে রয়েছে ৩৪ পিস বিদেশী এবং ৪৬পিস দেশীয় কেরু এন্ড কোম্পানীর মদ। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনার উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃতরা ঢাকা থেকে দেশী-বিদেশী মোট ৮০ পিস মদের ইনটেক্ট বোতল নিয়ে খুলনায় আসছিল। এসময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের একটি টিম রূপসা সেতুর টোল প্লাজা থেকে তা’ আটক করে। তবে উদ্ধারকৃত মদের মূল্য প্রাথমিকভাবে নিরূপন করা যায়নি।
আটকদ্বয় জানান, ঢাকার একটি মাদক ব্যবসায়ী গ্রুপের কাছ থেকে মাঝে মধ্যে ভাড়া করা প্রাইভেটকারযোগে খুলনায় এসে ওই মদের চালান খুলনার ব্যবসায়ী গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করে চলে যান। এর আগেও তারা একাধিকবার খুলনায় আসেন। প্রথমে তারা সেগুলো নিয়ে জিরো পয়েন্টে আসেন। সেখানে ঢাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গাড়ির নম্বর পেয়ে খুলনার মাদক ব্যবসায়ীরা বিশেষ সিগনালের মাধ্যমে অন্য গাড়িতে মদগুলো তুলে নিয়ে যায়। তবে খুলনার কারা এর- সাথে জড়িত তাদের কারও নাম বলতে পারেননি গ্রেফতারকৃতরা। অবশ্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে আটক হওয়ার পর একাধিকবার আব্দুর রহিম শরীফের মোবাইলে জামাল নামের একজন হোয়াটসএ্যাপে কল দেয়। কিন্তু আব্দুর রহিম জামাল নামে কাউকে চেনেন না বলে জানান।
প্রাইভেট চালক মোঃ ওহাব শিকদার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের কাছে জানান, তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিবের গাড়ির ড্রাইভার। ওই সচিবের নাম রাশেদ খান। যার বাড়ি মানিকগঞ্জে এবং সেখানে রাশেদ খান নামে একটি কলেজও রয়েছে। তবে গাড়িটি রাশেদ খানের স্ত্রী রাবেয়া খাতুনের নামে। যার নম্বর-ঢাকা মেট্রো-গ-৩১-৫৯৫৬। রাবেয়া খাতুন একজন স্কুল শিক্ষক বলেও জানান চালক।
গ্রেফতারকৃত আব্দুর রহিম শরীফ ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের প্রতাপ এলাকার স্থায়ী এবং বর্তমানে ঢাকার কামরাঙ্গিচর চৌরাস্তার হযরতনগর এলাকার বাসিন্দা এবং প্রাইভেটকার চালক মোঃ ওহাব শিকদার ফরিদপুরের নগরকান্দার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ঢাকার লালবাগের আমরেগোলা এলাকায় বসবাস করেন।