সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নারী শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতন ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে শাবির ২শিক্ষার্থী আটক

সিলেট অফিস :
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে ‘যৌন নির্যাতন’ পর ভিডিও ধারণের অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক দুইজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শান্ত তারা আদনান ও স্বাগত দাশ পার্থ।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদেরকে তাদের একজনকে ক্যাম্পাস থেকে এবং আরেকজনকে সুরমা আবাসিক এলাকা থেকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, তাদের বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তাদেরকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে আলোচনার পর প্রাথমিক সত্যতা মিললে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদেরকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা সুত্রে জানা যায়, ঈদের আগে ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থীকে সুরমা আবাসিক এলাকার একটি মেসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে অচেতন করে ‘যৌন নির্যাতন’ ও ভিডিও ধারণ করা হয় বলে ওই শিক্ষার্থী পরে অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিক সত্যতা মিলে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করে।
তিনি আরও বলেন, তাদের বিরূদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯ (৩) ধারা এবং পর্ণগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইনে ৮(১), ৮(২) ও ৮(৩) ধারায় মামলা হয়েছে। এছাড়া তারা এখনো পুলিশি হেফাজতে রয়েছে, যেহেতু বন্ধের দিনে আদালত দুপুরে বসে। তখন তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
উল্লেখ্য, আটকদের মধ্যে আদনান ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার আসামি।