Skip to content

Upcoming
United States
0-0
Australia
Source: ESPN

খুলনা  খাদ্য পরিবহণ ঠিকাদার সমিতির কর্মবিরতিতে অচল খাদ্যবিভাগ

ট্রাক সিন্ডিকেট কারনে খুলনা  খাদ্য পরিবহন (সড়ক বিভাগ) ঠিকাদার সমিতির কর্ম বিরতিতে অচল হয়ে পড়ছে।এতে সরকারের জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে। বন্ধ রয়েছে পণ্যবাহী ট্রাক। খুলনার মহেশ্বর পাশা, সিএসডি, ৪ নং ও ৭ নং ঘাট অঞ্চলের ট্রাক লোড আনলোড বন্ধ।

২৭০ জন ঠিকাদার  ২০০৫ সালে খাদ্য পরিবহন ( সড়ক বিভাগ) মুক্তিবদ্ধ হন। নানা কারণে এরপরে আর টেন্ডার না হওয়ায় ২০০৫ সালের রেটে এখনো ব্যবসা করে যান। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ  এ অনির্দিষ্ট কর্মবিরতি প্রত্যাহার না হলে অচল হয়ে পড়বে জরুরী সেবা খাদ্য বিভাগ কর্মহীন হয়ে পড়বে খুলনার ২৫০০ শ্রমিক।ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হতে হবে।

খুলনা খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতির সভাপতি এস এম আজিজুর রহমান স্বপন বলেন  আমরা যারা খাদ্য বিভাগে কাজ করি খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ও ঢাকায়। সকলের সরকারের লাইসেন্সকৃত  পরিবহন আছে এই পরিবহনের কাছে ট্রাক ভাড়া  করার স্বাধীনতা আমাদের আছে। যেকোনো ট্রান্সপোর্ট থেকে আমরা সুবিধামতো গাড়ি নিয়ে এক জায়গা থেকে  অন্য জায়গায় যেতে পারি। এক জায়গায় গাড়ি না পেলে অন্য জায়গা থেকে গাড়ি নিতে পারি।কিন্তুু  খুলনা অঞ্চলে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম খুলনার মহেশ্বর পাশা, সিএসজি, চার নং ঘাট ও সাত নং ঘাটে বিভাগীয় খাদ্য পরিবহন সমিতির গাড়ি ভাড়া করার স্বাধীনতা নেই। এর কারণ হচ্ছে খুলনার জয়েন্ট ট্রান্সপোর্ট নামিও ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। তাদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীদের গাড়ি নিতে বাধ্য করা হয়। এখানে একতরফা তাদের সিন্ডিকেট সচল। বিগত সরকারের আমলেও তারা আমাদেরকে বাদ্য করেছিল ৫ আগস্ট এ ছাত্র জনতার গণঅদ্ভুত্থানের পরে কিছুদিন শীতল ছিল কিন্তু এইবারই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরে তা সচল হয়েছে। ২০০৫ সাল থেকে ট্রাক মালিকদের এই সিন্ডিকেটের কারণে আমাদের পক্ষে এখন ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে না।

খুলনার খাদ্য পরিবহন (সড়ক পথ)  ঠিকাদার হাফিজুর রহমান বলেন জয়েন্ট পরিবহন মালিক সমিতি (৬২২) আমাদের জিম্মি করে তারা যে রেট দিবে তাদের রেটে গাড়ি নিতে হবে গাড়ি নিতে হবে। হিসাব ছাড়া পার গাড়িতে তিন থেকে চার হাজার টাকা  বেশি দিতে হয়। এ ছাড়াও তাদের গাড়ির কোন লাইসেন্স নেই। এবং আমাদের তারা কোন চালানো দেয় না।

আর এক ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির বলেন  : আমাদের কোন গাড়ি নিতে হলে তাদের মাধ্যমে নিতে হবে। ওরা যে গাড়ি দিবে তাই নিতে হবে।

ফারুক হোসেন নামে আরেক ব্যবসায়ী বলেন :ওদের গাড়ির লাইসেন্স থাকে না ফিটনেস বিহীন। আমাদের কাছ থেকে বেশি টাকা নেয়। প্রতিবাদ করলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে।

এ বিষয়ে খুলনা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সরোয়ার হোসেন বলেন কন্টাকটারদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছিল খাদ্য অধিদপ্তর থেকে চিঠি দিয়েছে দুই পক্ষ বসলে সমাধান হয়ে যাবে।

চলাচল ও সংরক্ষণ খাদ্য নিয়ন্ত্রক রহমান বলেন খুলনা ট্রাক মালিক সমিতি এখানে বাহিরে ট্রাক ঢুকতে দেয় না। আমাদের এটা জরুরী সেবা এখানে আইন দেখিয়ে লাভ হবে না কারণ বিকল্প রাস্তা নেই । ঠিকাদাররা বেশ কিছুদিন যাবত এটা অবরোধ করে রেখেছে।