সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

রমজানে বাজার-সদাই: সবজি বাজারে স্বস্তি, তবে কমেনি মাছ-মাংসের দাপট

 

রমজানের শুরুতে যে লেবুর দাম নিয়ে ক্রেতাদের হাঁসফাঁস অবস্থা ছিল, কয়েক দিনের ব্যবধানে সেখানে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখন প্রতিটি লেবু ১০ থেকে ১৫ টাকার মধ্যেই মিলছে। অথচ রোজার শুরুর দিকে এই দাম ছিল প্রায় তিনগুণ বেশি।

শুধু লেবুই নয়, শসার দামও কমেছে। কয়েক দিন আগেও যেখানে প্রতি কেজি শসা ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন তা কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় নেমেছে। কাঁচামরিচের ক্ষেত্রেও কিছুটা দাম কমেছে। মানভেদে বর্তমানে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েক দিন আগে ১৮০-২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

অন্যদিকে ইফতারের অন্যতম জনপ্রিয় পদ ‘বেগুনি’র প্রধান উপকরণ বেগুনের বাজার এখনো অস্থির। রোজার শুরুতে কেজিপ্রতি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হওয়া লম্বা বেগুন বর্তমানে ১০০ থেকে ১২০ টাকায় উঠেছে। মাঝে সামান্য কমলেও আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা বাড়ায় রমজানজুড়েই বেগুনের বাজার চড়া থাকে। দু-একদিন দাম কমলেও তা স্থায়ী হয়নি।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র।

মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি, গরুর মাংস অপরিবর্তিত

বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা দরে; যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।

একইভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩০০ টাকা; যা সপ্তাহ আগে ছিল ৩২০ টাকা।

এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজারে চিংড়ি চড়া

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, কই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে মাছের বাজারে সবচেয়ে বেশি দাপট দেখা গেছে চিংড়ির। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে সবজিতে কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছ-মাংসের বাজার এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি—এমনটাই বলছেন ক্রেতারা।

এনএনবাংলা/