সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নীলফামারীতে জ্বালানি তেলের সংকট, পাম্পে ভিড় ও উত্তেজনা

 

নীলফামারী প্রতিনিধি:

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা-সংঘাতের প্রভাব দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারীতেও পড়তে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় জেলাজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নীলফামারী জেলায় প্রায় ২৫-৩০টির বেশি জ্বালানি তেল পাম্প থাকলেও সরবরাহ সংকট ও আতঙ্কের কারণে অধিকাংশ পাম্প বন্ধ রয়েছে। মাত্র ২-৩টি পাম্প সীমিত আকারে খোলা থাকায় সেখানে শত শত মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

জ্বালানি তেলের জন্য হাহাকার তৈরি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েকটি পাম্পে তেল না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ জনতার হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে কিছু পাম্পে সীমিত পরিসরে তেল বিক্রি করা হলেও সরবরাহ অপ্রতুল থাকায় প্রতি গাড়িকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ২-৩ ঘণ্টা পরপর তেল দেওয়া হচ্ছে, ফলে পাম্পগুলোতে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, “সারাদেশেই তেলের সংকট চলছে। আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। কোনো পাম্প মালিক সিন্ডিকেট করার চেষ্টা করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

এ অবস্থায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এনএনবাংলা/