সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নাসিরনগরে ১০ লক্ষ টাকার অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী (রিং জাল) জব্দ,আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে  মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০’ বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে  বিপুল পরিমাণ জব্দ করা নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারী’ (রিং জাল) আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার বাক লঙ্গণ নদীতে টেকানগর  এলাকার ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান পরিচালনা করে ২৩০টি  রিং জাল ও ১ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভুমি সাহেল আহমেদ। অভিযানে সহযোগিতা করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহিমুল আরেফিন।

এসময় উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী শরীফা আক্তারসহ নাসিরনগর থানা পুলিশ,উপজেলা মৎস্য ও ভূমি অফিসের স্টাফসহ স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন । জব্দকৃত এসব জাল স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে  উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফাহিমুল আরেফিন বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ এবং মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসব নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হচ্ছে। বর্তমানে নদীতে পানি কম থাকায় দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। এ অবস্থায় একদল অসাধু ব্যক্তি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করছে। এতে জলজ প্রাণী ও উপকারী জলজ কীটপতঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সাহেল আহমেদ জানান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাসিরনগর থেকে আমাদের স্টাফ রিপোর্টার আকতার হোসেন ভূইঁয়ার তথ্যচিত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়া টিভি।