সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টার ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

 

কুষ্টিয়ায় হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজনে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আট মাস বয়সী ইব্রাহিম নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। একইদিন দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আইজা নামের পাঁচ মাস ২০ দিন বয়সী আরেকটি শিশুর মৃত্যু হয়।

ইব্রাহিম কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার চঞ্চল হোসেনের ছেলে। শুক্রবার বিকেলে হামজনিত উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। অন্যদিকে, আইজা কুষ্টিয়া শহরের রেনউইক এলাকার মমিনুর রহমানের মেয়ে। সে গত চার দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হোসেন ইমাম জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ইব্রাহিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত অবস্থায় তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

এদিকে, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. এ এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আইজা নামের শিশুটি গত ৩০ মার্চ সোমবার হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

এর আগে একইদিন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আফরান নামে আট মাস বয়সী আরও এক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ২০ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৩২০ জন রোগীর হাম সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এবং বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ২৩০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে চারজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ৫ থেকে ৬ জন শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ