সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

রূপসা ব্রিজ এলাকায় অতিরিক্ত দামে অকটেন বিক্রি- ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানাধীন রূপসা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির দায়ে এক নারী ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টা ১৫ মিনিটে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) খুলনা মেট্রো শাখার তথ্যের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস আল মাহদীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে “মাই ম্যাক্সসিস” নামক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মোছাঃ রেশমা বেগমকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এ সময় প্রমাণিত হয় যে, তিনি প্রতি লিটার অকটেন ২১০ টাকা দরে বিক্রি করছিলেন, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি। এ অপরাধে তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। তদন্তে আরও জানা যায়, দণ্ডিত রেশমা বেগমের স্বামী শরিফুল ইসলাম খুলনা বন বিভাগের একটি স্পিডবোটের চালক হিসেবে কর্মরত থেকে সরকারি প্রয়োজনের কথা বলে খুলনার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল ও অকটেন সংগ্রহ করতেন এবং তা তার স্ত্রীর দোকানে এনে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করা হতো। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, রাত ১০টার পর খুলনার যমুনা অয়েল কোম্পানির ডিপো থেকে প্রতি ব্যারেল (১৯০ লিটার) প্রায় ৩৮ হাজার টাকা মূল্যে জ্বালানি সংগ্রহ করে তা খুচরা বাজারে উচ্চ দামে বিক্রি করা হতো।

খুলনা জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের বাজার স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।