সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

হাকালুকি হাওরের ১০০ বিঘা জমির বোরো ধান ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে

জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার:

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় হাকালুকি হাওরের দুটি বিলের প্রায় ১০০ বিঘা জমির আধা পাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া আশপাশের আরও দুটি বিলের ফসল ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ফসল নিয়ে কৃষকেরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

ভুক্তভোগী কৃষকেরা জানান, শুক্রবার রাতে একটানা কয়েক ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি হয়। এ ছাড়া হাওরের সঙ্গে যুক্ত জুড়ী, কণ্ঠিনালা, গোগালিছড়া ও ফানাই নদী দিয়ে উজানের পাহাড়ি ঢলের পানি নামে। শনিবার সকাল থেকে হাওরের উগলা ও হাসইরডিবি বিলে পানি ঢুকতে থাকে। দুপুরের দিকে দুটি বিলের ধানখেত তলিয়ে যায়।

হাওরপারের ভূকশিমইল ইউনিয়নের মহেষগৌরী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ হাফেজ ফেসবুক লাইভে বিল দুটির অবস্থা দেখিয়ে বলেন, সব ধান পানির নিচে চলে গেছে। ভিডিওতে পানির নিচে থাকা আধা পাকা ধান অনেককে কেটে আনতেও দেখা যায়। তিনি জানান, পানি বাড়তে থাকায় পাশের মেধা ও চাঙ্গুয়া বিলের ফসল ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সেখানে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। ফসল রক্ষায় দুটি বিলের পাশে উঁচু মাটির বাঁধ তৈরির জন্য কৃষকদের কোদাল-টুকরি নিয়ে তিনি সেখানে যাওয়ার আহ্বান জানান।

মহেষগৌরী গ্রামের কৃষক আমজদ আলী বলেন, উগলা বিলে তাঁর আট বিঘা জমির ধান এখন পানির নিচে। দ্রুত পানি না নামলে ধান পচে যেতে পারে।

কুলাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, এবার উপজেলার হাকালুকি হাওরসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় ৮ হাজার ৭০৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে ও উজানের ঢলে হাওর এলাকার জমিতে পানি প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে পানি দ্রুত নেমে যাবে, ফসলের তেমন ক্ষতি হবে না। তিনি এ বিষয়ে খোঁজ নেবেন বলে জানান।