সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেলে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫০

ছবি: সংগৃহীত

 

হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। চলতি মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের উপসর্গে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও শঙ্কাজনক করে তুলেছে।

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একই সময়ে নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪ জন। বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩২ জনে। চলমান এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত এক সপ্তাহের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) চার শিশু, বুধবার (৮ এপ্রিল) তিন শিশু, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক শিশু, সোমবার (৬ এপ্রিল) দুই শিশু, রোববার (৫ এপ্রিল) দুই শিশু, শনিবার (৪ এপ্রিল) তিন শিশু এবং শুক্রবার (৩ এপ্রিল) একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে—সবাই হামের উপসর্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিল।

চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্তদের বড় একটি অংশই শিশু, যারা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। জ্বর, ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হওয়া—এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। দেরি হলে জটিলতা বাড়তে পারে এবং মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।

হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, আক্রান্তদের পৃথক রাখা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

এনএনবাংলা/