সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ১৭৪

ছবি: সংগৃহীত

 

দেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন নিশ্চিতভাবে হামে এবং দুইজন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৪ জনে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই হিসাব করা হয়েছে।

একই সময়ে দেশে নতুন করে ১২৭ জনের দেহে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৯২ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১১৫ জন। আর ১৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৪৬৭ জনে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়—

  • গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে
  • একই সময়ে সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ২ জন
  • ১৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যু ৩৭ জন
  • একই সময়ে সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু ১৭৪ জন

হাসপাতাল সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী—

  • ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে ভর্তি হয়েছে ১৩ হাজার ৮৯৮ জন
  • সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১১ হাজার ২৪৩ জন

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

এনএনবাংলা/