ছাড়া পেলেন ধ্রুব রাঠী, সিজেপির দীপকে, সৌরভ ও রাঙ্কা

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে ছেড়ে দিল দিল্লি পুলিশ। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। রবিবার সকালে তিন জনকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় এগ্জ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হয়। তার পরেই তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে গুরুগ্রাম থেকে আটক হওয়া আলোচিত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে গভীর রাতে মুক্তি দিয়েছে গুরুগ্রাম পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে শনিবার গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-তে অবস্থিত তার বাসভবন থেকে রাঠীকে আটক করা হয়েছিল।
গণহারে ধরপাকড়, রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা এবং ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ জারির অভিযোগের পর রবিবার ফের উত্তপ্ত হতে চলেছে দিল্লির যন্তর মন্তর। আজ আবারও সেখানে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি। শনিবার দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড় চালায় পুলিশ। শতাধিক বিক্ষোভকারী এবং একাধিক বিরোধী দলের নেতাকে আটক করা হয়। পাশাপাশি, দিল্লিতে বিমান অবতরণের পর বিমানের ভিতর থেকেই আটক করা হয় CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এবং দলের দুই সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। তাঁদের কোথায় রাখা হয়েছে, তা এখনও জানা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে দলটি। অবিলম্বে তাঁদের মুক্তি এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে CJP।
শীর্ষ নেতৃত্ব আটক থাকায় আন্দোলনের দায়িত্ব নিয়েছেন দলের জাতীয় সংগঠন বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত অজিঙ্কা শিন্ডে। তাঁর ঘোষণা, রবিবার, ১১ অক্টোবর সকাল ১০টায় ফের যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানো হবে। বিপুল সংখ্যায় সমর্থকদের সেখানে হাজির হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ যেখানে বাধা দেবে, সেখানেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ডাকও দিয়েছেন। এদিকে, দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার নয়াদিল্লি ও মধ্য দিল্লির একাধিক রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সকাল ৬টা থেকেই যান চলাচলের পথ পরিবর্তন করা হতে পারে। বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনালে যাঁদের যাতায়াত রয়েছে, তাঁদের আগে থেকেই যাত্রার পরিকল্পনা করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জমায়েতের উপর বিধিনিষেধের মধ্যে বিক্ষোভকারীরা আদৌ যন্তর মন্তরে পৌঁছতে পারবেন কি না, এবং সেখানে আন্দোলন কতটা চালিয়ে যেতে পারবেন, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।
এনএনবাংলা/এনজেড
