সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে? রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, তদন্তে আরও ৪ জন হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে একজনের প্রাণহানি তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ৩১৭, প্রথম দিনেই নাটকীয় উত্থান-পতন শেখ হাসিনার আমলে দুই বিচার নিয়ে কী বলেছিলেন নাভি পিল্লাই? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ বিজেপির মোটরসাইকেলে এসে বিকাশকর্মীদের গাড়িতে গুলি, দুই বস্তায় থাকা তিন কোটি টাকা লুট নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের পরই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কোটি ২০ লাখ নিম্ন মধ্যবিত্ত
Skip to content

মুক্তির পর ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি

আমাকে আটক বা গ্রেপ্তার নয়, বরং ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিবাদ বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে গতকাল শনিবার দিল্লি পুলিশ জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করেছিল। পরে অবশ্য গতকালই তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মুক্তির পর তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে আটক বা গ্রেপ্তার নয়, বরং ‘অপহরণ’ করা হয়েছে।

শনিবার মধ্যরাত ৩টে নাগাদ মুক্ত করা হয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে। পুলিশি হেফাজত থেকে বাড়ি ফিরেই বিশেষ বার্তা নিয়ে হাজির হলেন তিনি। স্পষ্ট করে জানালেন তিনি আদৌ ভারতীয় নাগরিক কি না।

সম্প্রতি ককরোচদের ডাকা আন্দোলনে যোগদান করার পর থেকে ফের শিরোনামে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। তাঁকে নিয়ে BJP নেতা ভাস্কর রাও দাবি করেন, ‘এই ব্যক্তি একজন জার্মান নাগরিক। ভারতে এসে কীভাবে তিনি আন্দোলনে যোগদান করেন? ভিনদেশী নাগরিক হয়ে রাজনৈতিক আন্দোলনে যোগদান করা দেশের সংবিধানিক নিয়ম লঙ্ঘন।’ এ প্রসঙ্গে রবিবার সকালে একটি ভিডিও পোস্ট করে ধ্রুব রাঠি নিজের ভারতীয় পাসপোর্ট সকলকে দেখালেন। সঙ্গে স্পষ্ট করে বললেন, ‘আমি একজন ভারতীয় নাগরিক ছিলাম, আছি এবং থাকব। যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, আমি বিদেশ নাগরিক বলে নাকি আন্দোলনে অংশ নিতে পারব না। সে কারণেই নাকি আমায় আটক করা হয়েছে, এগুলি সম্পূর্ণ ভুল। একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বাকি পাঁচজনের যা অধিকার রয়েছে, আমারও তাই আছে।’

পাশাপাশি ধ্রুব রাঠি এদিন দাবি করেন, তাঁকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। তাঁকে কিডন্যাপ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘গতকাল সকাল ৭টা নাগাদ আমি নিজের বেডরুমে শুয়েছিলাম। বাইরে সাদা পোশাকে অনেক লোকজন ঘুরছিল, মা কৌতুহল বশত দরজা খোলেন। হঠাৎ করে প্রায় ২০ জন তাঁকে ধাক্কা মেরে ঘরে ঢুকে পড়েন। মায়ের চিৎকার শুনে আমি উঠে পড়ি। বেডরুমের দরজা খুলে ওই মানুষগুলো ঢুকে পড়েন। আমি প্রতিক্রিয়া দেওয়ার আগেই আমায় কিডন্যাপ করেন ওরা। যদি কোনও পুলিশ এসে আমায় ধারা দেখিয়ে নিয়ে যেত সেটাকে গ্রেফতারি বলত, কিংবা আমায় আন্দোলনস্থল থেকে উঠিয়ে নিয়ে যেত, তাহলে আটক হত। কিন্তু আমায় গুন্ডা পাঠিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বেডরুম থেকে। টানতে টানতে সিঁড়ি দিয়ে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আমায়। যেন আমি ক্রিমিনাল। আমি জুতো পর্যন্ত পরতে পারিনি। ফোন ছিনিয়ে নিয়েছিল। ২২-২৩ ঘণ্টা আমায় আটকে রাখা হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘দেশে অঘোষিত এমারজেন্সি চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কাল যা হয়েছে তা উত্তর কোরিয়াতে হয়।  এতটাও ভয় দেখাবেন না যে আমরা ভয়ডরহীন হয়ে যাই। হিটলার, মুসোলিনির শেষ কেমন ছিল, ইতিহাস পড়ে দেখে নেবেন।’

এনএনবাংলা/এনজেড