বেআইনি আটক বন্ধ ও ইন্টারনেট-মেট্রো চালুর নির্দেশ ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বেআইনিভাবে আটক না করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে দিল্লিতে মেট্রো ও ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা এবং মানুষের চলাচলে অপ্রয়োজনীয় বাধা না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
রোববার (১১ অক্টোবর) চারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জরুরি শুনানিতে এসব নির্দেশ দেন। আদালত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা না দিতেও বলেছেন। আগের দিনের বিধিনিষেধ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি আগামী ১৩ অক্টোবর।
এদিকে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিল্লিজুড়ে ৩০ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সিজেপি নেতা আজিঙ্কা সিন্ধে জানিয়েছেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সংগঠনটির দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া বা পরিবর্তনের ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত দেশজুড়ে বিক্ষোভ ও অসহযোগ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
শনিবার বিক্ষোভের আগে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়। পরে তাদের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করে এক বছর শান্তিভঙ্গ না করার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়। মুক্তির পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দীপকে।
এনএনবাংলা/
