সাম্প্রতিক
দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে আগামীকাল কাশ্মীরের সব মসজিদে একই খুতবার প্রস্তাব, সরকারি হস্তক্ষেপে ক্ষোভ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী ঢাকা থেকে রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা বাংলাদেশের ভিউয়ের জন্য অন্যকে অপমান কেন? প্রশ্ন মেহজাবীনের ভারতে ‘বাংলাদেশের মত নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন রাহুল গান্ধী: বিজেপি মুখপাত্র সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ‘গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি’ গঠনের কার্যক্রম স্থগিত পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলো সাজেক, ভ্রমণে বাধা নেই
Skip to content

কাশ্মীরের সব মসজিদে একই খুতবার প্রস্তাব, সরকারি হস্তক্ষেপে ক্ষোভ

কাশ্মীরের শ্রীনগর জামে মসজিদে জুমার নামাজের আগে খুতবা দিচ্ছেন ইমাম। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের সব মসজিদে জুমার নামাজে একই খুতবা পাঠের প্রস্তাব ঘিরে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর ওয়াকফ বোর্ডের এ উদ্যোগকে মুসলিমদের ধর্মীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

ওয়াকফ বোর্ডের প্রধান দরখশান আন্দ্রাবি ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির নেত্রী। গত সপ্তাহে তিনি অঞ্চলটির মসজিদগুলোতে অভিন্ন খুতবা চালুর প্রস্তাব ঘোষণা করেন। মাদকাসক্তি, আত্মহত্যা ও মানসিক চাপের মতো সামাজিক সমস্যা মোকাবিলার যুক্তিতে এ উদ্যোগের পক্ষে অবস্থান নেন তিনি।

তবে কাশ্মীরের আলেমরা বলছেন, খুতবার বিষয়বস্তু নির্ধারণের দায়িত্ব ধর্মীয় পণ্ডিতদের, প্রশাসনিক বোর্ডের নয়। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ নাঈম আখতারও প্রস্তাবটির সমালোচনা করে বলেন, ওয়াকফ বোর্ডের দায়িত্ব সম্পত্তি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা; আলেমদের ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া নয়।

কাশ্মীরের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা মীরওয়াইজ উমর ফারুকের নেতৃত্বাধীন তৌহিদা মজলিস-ই-উলেমাও এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে। অঞ্চলটির মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাহও প্রস্তাবটির নিন্দা জানিয়েছেন।

বিতর্কের মুখে অবস্থান থেকে সরে এসে দরখশান আন্দ্রাবি জানিয়েছেন, সামাজিক সমস্যাগুলো নিয়ে খুতবায় আলোচনার বিষয়টি স্বাধীন আলেম ও খতিবদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাশ্মীরের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা নতুন নয়। এর আগে ওয়াকফ বোর্ড দরগা ও মাজারে স্বেচ্ছায় দেওয়া অর্থ সংগ্রহের প্রচলিত ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মসজিদের ইমাম ও খতিবদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের ফর্ম বিতরণ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে কাশ্মীরের মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়তে পারে।

এনএনবাংলা/