সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

আফগানিস্তানে যুদ্ধ করা দুই যমজ ভাই রোনালদোর দেহরক্ষী

অনলাইন ডেস্ক :

পর্তুগিজ জাতীয় ফুটবল দল ও ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের দল ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফুটবল সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সেপ্টেম্বরে চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচ খেলতে রোনালদো সুইজারল্যান্ডের পথে উড়াল দেয়ার সময় তার সঙ্গে দুই দেহরক্ষীকে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যম এত দিনে জানালো এই দুই দেহরক্ষীর পরিচয়। দুই দেহরক্ষীর একজনের নাম সের্জিও রামালেইরো ও আরেকজন জর্জ রামালেইরো। আফগানিস্তানে যুদ্ধে যাওয়ার আগে পর্তুগালের পুলিশ বিভাগের সদস্য ছিলেন এই দুই ভাই। পর্তুগিজ সেলিব্রিটি সাময়িকী ‘ফ্লাশ’ জানিয়েছে, সের্জিও ও জর্জের আরও এক ভাই আছে। নাম আলেক্সান্দ্রে রামালেইরো। তিনি এখনো পুলিশে কর্মরত। তিনজন একই সঙ্গে জন্মেছেন। রোনালদোর দেহরক্ষীর চাকরি পাওয়া দুই ভাইকে অবৈতনিক ছুটিতে যেতে বলেছিল পর্তুগিজ পুলিশ বিভাগ। তাদের অন্য কোনো লক্ষ্য থাকলে তাতে মনোযোগ দেয়ার কথা বলা হয় পুলিশ বিভাগ থেকে। এরপরই রোনালদোর ডাক পান দুই ভাই। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘সের্জিও ও জর্জ অভিজাত পোশাক পরিধান করে। যদিও তাদের দেখে সাধারণই মনে হয়। ভিড়ের মধ্যে মিশে যেতে পারে। সঠিক সময়ে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’ সুইস দল ইয়ং বয়েজের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লীগ ম্যাচ খেলতে যাওয়ার সময় ম্যানচেস্টার বিমানবন্দরে রোনালদোর সঙ্গে দেখা গেছে এই দুই দেহরক্ষীকে। রোনালদো সাম্প্রতিক সময়ে নিজের নিরাপত্তা জোরদার করেছেন। অপরাধী চক্রের ‘লক্ষ্যবস্তু’তে পরিণত হয়েছেন এমন খবর আগেই পৌঁছেছে রোনালদোর কানে। সে জন্যই নিরাপত্তা জোরদার করা। এর আগে রোনালদোর দেহরক্ষী ছিলেন সাবেক এক মিক্সড-মার্শাল আর্ট খেলোয়াড় এবং আরেকজন এলিট ফোর্সে কাজ করা সাবেক প্যারাট্রুপার।